চুয়াডাঙ্গায় এসএসসি টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস, সত্যতা উদঘাটনে কমিটি গঠন

  • চুয়াডাঙ্গা প্র‌তি‌নি‌ধি | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: অক্টোবর ২৬, ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম
চুয়াডাঙ্গায় এসএসসি টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস, সত্যতা উদঘাটনে কমিটি গঠন

ছবি : প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গা: চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে আসন্ন এসএসসি টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। এর প্রেক্ষিতে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা স্থগিত করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। মাত্র ১ হাজার ৫০০ টাকার বিনিময়ে এই প্রশ্নপত্র বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এ ঘটনার সত্যতা উদঘাটনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এ.বি.এম খালিদ হোসেন সিদ্দিকীকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।

​জানা গেছে, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ঠিক সামনের ‘জনি ফটোকপি’ নামক একটি দোকান থেকে প্রশ্নপত্রটি ফাঁস হয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সেখানে অভিযান চালান সহকারী কমিশনার মির্জা শহিদুল ইসলাম। অভিযানে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়।

​বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার রাতে জনি ফটোকপির দোকান থেকে ২০২৭ সালের এসএসসি টেস্ট পরীক্ষার বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র বাইরে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় কে বা কারা জড়িত রয়েছে তা এখনো নিশ্চিত করা না গেলেও প্রশ্ন ফাঁসের জেরে পরীক্ষাটি স্থগিত করা হয়।

​এদিকে ঘটনার পর জেলা প্রশাসক ও বিদ্যালয়ের সভাপতি লুৎফুন নাহার চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে যান। পরিদর্শন শেষে তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে এক জরুরি সভায় অংশ নেন। সভা শেষে তিনি জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় বিদ্যালয়ের পরীক্ষা কমিটির সকল সদস্যকে শোকজ করা হবে।

​এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।’

​বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক শেখ রেজাউল করিম জানান, ‘গত রাতে ২০২৭ সালের এসএসসি টেস্ট পরীক্ষার বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার খবর পাওয়ার পরই বাংলা পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। স্থগিত হওয়া এই পরীক্ষা আগামী শনিবার (৩১ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হবে। ঘটনার সঙ্গে কোনো শিক্ষক বা চক্র জড়িত কি না, সে বিষয়ে প্রশাসন কাজ করছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পিএস

Link copied!