নিরাপদ খাদ্য ও কৃষি রূপান্তরে ঈশ্বরদীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

  • ঈশ্বরদী ( পাবনা) প্রতিনিধি : | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ০৭:৪৭ পিএম
নিরাপদ খাদ্য ও কৃষি রূপান্তরে ঈশ্বরদীতে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

ছবি প্রতিনিধি

কৃষির আধুনিকায়ন, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে পাবনার ঈশ্বরদীতে দিনব্যাপী ‘পার্টনার কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার ঈশ্বরদী ডাল গবেষণা কেন্দ্র ও আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের সেমিনার কক্ষে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। কৃষি ও পল্লী রূপান্তরের মাধ্যমে পুষ্টি, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং স্থিতিস্থাপকতা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে এই বিশেষ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পাবনা খামারবাড়ির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রামাণিক। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে আয়োজিত এই কংগ্রেসে তিনি বলেন, কৃষি এখন আর কেবল চাষাবাদ নয়, বরং এটি একটি বিশাল মহাযজ্ঞ ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো দক্ষ উদ্যোক্তা কৃষক তৈরি করা, যারা দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন। কৃষিকে বাণিজ্যিকীকরণে এই ধরনের কংগ্রেস কার্যকর অবদান রাখছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ শোয়াইবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পাবনা খামারবাড়ির অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) মো. নূরে আলম এবং জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম। কৃষকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ প্রদান করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোছা. আকলিমা খাতুন ও উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আকন্দ রাব্বেউল্লা মানিক। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবুল মমিন স্বাগত বক্তব্য দেন এবং পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ প্রহল্লাদ কুমার কুন্ডু।

এই কংগ্রেসের মূল উদ্দেশ্য হলো জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আধুনিক ও সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়া। একই সঙ্গে উত্তম কৃষি চর্চার মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও গ্রামীণ পর্যায়ে কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সফল কৃষক-কৃষাণী, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীসহ শতাধিক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের কারিগরি দক্ষতা ও আয় বৃদ্ধি পাবে, যা জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এসএইচ 

Link copied!