এসকিউ ব্রোকারেজের নিবন্ধন সনদ বাতিল

  • নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ০২:১৮ পিএম
এসকিউ ব্রোকারেজের নিবন্ধন সনদ বাতিল

ফাইল ছবি

ঢাকা: দেশের শেয়ারবাজারে শেয়ার লেনদেনের অনুমোদন পাওয়া এসকিউ ব্রোকারেজ হাউসের নিবন্ধন সনদ বাতিল করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (০৫ জানুয়ারি) ডিএসইর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সূত্র জানায়, নিয়ম অনুযায়ী সনদ পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবসা শুরু করতে না পারায় প্রতিষ্ঠানটির নিবন্ধন সনদ বাতিল করা হয়েছে। ফলে প্রতিষ্ঠানটি আর শেয়ারবাজারে শেয়ার লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবে না।

ডিএসই জানিয়েছে, নিবন্ধন সনদ বাতিল হওয়ায় এসকিউ ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে শেয়ার লেনদেনের কোনো আইনগত বৈধতা নেই। বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করার অংশ হিসেবে এ বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে যদি ইতোমধ্যে কোনো বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে লেনদেনে যুক্ত হয়ে আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়ে থাকেন, তবে প্রয়োজনীয় প্রমাণ–দলিলসহ ডিএসইর সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ডিএসই সূত্রে জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক বিবেচনায় শেয়ারবাজারে লেনদেনের অনুমোদন পাওয়ার জন্য ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট (ট্রেক) নেয় এসকিউ ব্রোকারেজ হাউস। ট্রেক সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোই ব্রোকারেজ হাউস হিসেবে পরিচিত।

এ ছাড়া রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রতিষ্ঠানটিকে স্টক ব্রোকার ও স্টক ডিলারের সনদ দেয় সেই সময়ের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এর মধ্যে স্টক ব্রোকার সনদ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে শেয়ার লেনদেনের অনুমোদন দেয়, আর স্টক ডিলার সনদ থাকে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব বিনিয়োগ কার্যক্রমের জন্য।

নিয়ম অনুযায়ী, এসব সনদ পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ব্যবসা শুরু করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে একাধিক দফায় সময় বাড়ানো সত্ত্বেও এসকিউ ব্রোকারেজ হাউস ব্যবসা শুরু করতে ব্যর্থ হয়। এমন পরিস্থিতিতে ডিএসই থেকে প্রতিষ্ঠানটিকে একাধিকবার তাগিদও দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকেই সনদ বাতিলের আবেদন জানানো হলে ডিএসই তাদের ব্রোকারেজ সনদ বাতিল করে।

জানা যায়, প্রতিষ্ঠানের মালিক ছিলেন কুমিল্লা থেকে নির্বাচিত একজন আওয়ামী লীগদলীয় সংসদ সদস্য। ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারবাজারের ব্যবসায় আর আগ্রহী থাকে না। পরবর্তী সময়ে নিজেরাই সনদ বাতিলের আবেদন করলে ডিএসই তা কার্যকর করে।

এএইচ/পিএস

Link copied!