প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্তদের জন্য হতাশার খবর

  • নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: মে ২০, ২০২৬, ০৭:৪৭ পিএম
প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্তদের জন্য হতাশার খবর

ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: দুঃসংবাদ পেলেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্তরা। নিয়োগের আগে আবারও তাদের বসতে হচ্ছে পরীক্ষায়।

চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্তদের মূল্যায়ন পদ্ধতি ঠিক করেছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমিক (নেপ)। এ পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হবে, তারাই কেবল যোগদানের সুযোগ পাবেন।

নেপ সূত্র জানিয়েছে, সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, মূল্যায়ন মডিউল তৈরি করা হচ্ছে। এটি তৈরির কাজ প্রায় শেষ। এখন তারা এ মডিউল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেবেন। পরবর্তীতে মন্ত্রণালয়ে সভা করে প্রশিক্ষণ ও মূল্যায়ন মডিউল চূড়ান্ত করা হবে।

নেপের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পিটিআইএর মাধ্যমে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ হবে। পিটিআইএর প্রশিক্ষণ ১০ মাসের হলেও এ প্রশিক্ষণ দুই থেকে তিন মাস হবে। এরপর মূল্যায়ন হবে। মূল্যায়নের ফলাফল অনুযায়ী প্রার্থীদের যোগদানের সিদ্ধান্ত নেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

নেপ মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ বলেন, প্রশিক্ষণ, মূল্যায়ন, পরীক্ষা পদ্ধতিসহ যাবতীয় বিষয় নিয়ে একটি মডিউল তৈরি করা হয়েছে। এই মডিউল মন্ত্রণালয়ে সভার পর চূড়ান্ত হবে। মডিউল চূড়ান্ত হওয়ার আগে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়।

গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় (পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া) একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ টাইপ) অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। তাতে জেলাভিত্তিক উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়।

লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সব প্রক্রিয়া শেষ করলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা এখনও যোগদান করতে পারেননি। এমন পরিস্থিতিতে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক।

পরে গত এপ্রিলের শেষ দিকে রাজধানীতে আন্দোলনে নামেন তারা। এরপর তাদের প্রশিক্ষণ শেষে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। 

পিএস

Link copied!