ফাইল ছবি
নিউজিল্যান্ডের আকাশ নতুন বছরের আগমনে রঙিন আতশবাজিতে আলোকিত হয়ে ওঠে। স্থানীয় সময় মধ্যরাতে, যা গ্রিনিচ মান সময় ১১টা, রাজধানী অকল্যান্ডের আকাশে ফুটে ওঠে বর্ণিল শীর্ষবিন্দু। একই সঙ্গে সামোয়া, টোঙ্গা ও টোকেলাউও নতুন বছরে প্রবেশ করেছে। খবর জানিয়েছে বিবিসি।
নতুন বছর উদযাপনের লড়াইয়ে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে প্রবেশ করেছে প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র কিরিবাতি। দেশটির একটি প্রত্যন্ত অ্যাটলে উদযাপন করছেন পর্যটকরা। তিনি জানান, চারপাশে কোনো স্যাটেলাইট নেই, মানুষের উপস্থিতির কোনো চিহ্ন নেই, শুধুই অন্ধকার আর অসংখ্য কাঁকড়া। একেবারে প্রকৃতির মাঝে নতুন বছর উদযাপন চলছে।
নিউজিল্যান্ডের অধিভুক্ত চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের প্রায় ৬০০ বাসিন্দাও নতুন বছর উদযাপন করেছেন। দ্বীপের একটি হোটেলের মালিক জানান, আমাদের টিম ভোর পর্যন্ত কাজ করবে, তবে বয়স্করা আগেই বিদায় নেবে।
নিউজিল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলের ওয়ানাকা শহরে ‘রিদম অ্যান্ড আল্পস’ নামের বার্ষিক উৎসব চলছে। হাজারো মানুষ সংগীতের মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করছে। আয়োজক হ্যারি গোরিঞ্জ বলেন, সংগীত মানুষকে একত্র করে। বছরের প্রথম মুহূর্তগুলো সংগীতের মাঝে কাটানো মানে একসঙ্গে থাকার সুরে বছর শুরু করা।
সামোয়ার রাজধানী আপিয়ায় পরিবারগুলো নতুন বছরকে স্বাগত জানাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী পানীয় ‘আভা’ পরিবেশনের মাধ্যমে। অংশগ্রহণকারীরা একসঙ্গে পানীয় ভাগ করে নেন এবং ‘পাতিপাতি’- অর্থাৎ হাততালি ও করতালির মাধ্যমে উৎসব উদযাপন করেন। স্থানীয় এক রেস্তোরাঁ ব্যবস্থাপক জানান, সামোয়ান সংস্কৃতিতে নববর্ষ মানে পরিবারের একত্র হওয়া, গত বছরের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং নতুন বছরের জন্য ঐশ্বরিক পথনির্দেশনা কামনা করা।
বিশ্বজুড়ে ধাপে ধাপে নতুন বছরের উদযাপন শুরু হয়েছে। পরবর্তী বড় আতশবাজির আয়োজন হবে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি অপেরা হাউস এলাকায়।
এসএইচ
আপনার মতামত লিখুন :