ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা: দেশের মৌ শিল্পকে আধুনিক, নিরাপদ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন খাতে রূপান্তরের প্রত্যয়ে রাজধানীতে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে “জাতীয় মৌ সম্মেলন ২০২৬”। রাজধানীর সীমান্ত স্কয়ারে আয়োজিত এ সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত প্রায় ৭০০ মৌচাষি, মধু ব্যবসায়ী, গবেষক ও উদ্যোক্তার অংশগ্রহণ করেন।
ন্যাশনাল এপিকালচার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং টাইটেল স্পন্সর ন্যাচারো–এর পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এ সম্মেলনকে সংশ্লিষ্টরা দেশের মৌ শিল্পে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন।
মৌ শিল্পের উন্নয়ন, নিরাপদ মধু উৎপাদন, আধুনিক মৌচাষ সম্প্রসারণ এবং মৌচাষিদের মধ্যে সমন্বিত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতি শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় মৌমাছির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মৌ শিল্পকে গবেষণাভিত্তিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন খাতে উন্নীত করতে সংশ্লিষ্টদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএসআরআই) গবেষণা পরিচালক ড. মো. আতাউর রহমান। তিনি বলেন, মৌচাষ কেবল মধু উৎপাদনের ক্ষেত্র নয়, এটি কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ কর্মসংস্থানের একটি সম্ভাবনাময় খাত। মৌ শিল্পের টেকসই উন্নয়নে গবেষণা, প্রশিক্ষণ এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ন্যাশনাল এপিকালচার ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. আবু হানিফ খান এবং সহ-সভাপতি শাহজাহান আলী। তারা মৌচাষিদের অধিকার রক্ষা, খাঁটি মধুর বাজার সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের মধুর সম্ভাবনা তুলে ধরেন।
পিএস
আপনার মতামত লিখুন :