ফাইল ছবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হল সংসদের সমাজসেবা সম্পাদক ও জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল্লাহর গ্রামের বাড়িতে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বাড়ি ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায়।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে সাইফুল্লাহ এ অভিযোগ করেন। পোস্টে তিনি লেখেন, সন্ত্রাসীরা তাঁর বাড়িতে হামলা চালিয়ে আগুন দিয়েছে এবং তাঁর মা ফোন করে বিষয়টি জানিয়ে কান্নাকাটি করছেন।
এর আগে গত রোববার (৮ মার্চ) রাতে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলকে মারধরের ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দেন সাইফুল্লাহ। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ ধরেছি, শাহবাগ থানায় নিয়ে যাচ্ছি। লীগ প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
রাহিদ খান পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক ছাত্র। তিনি অভিযোগ করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন নেতা তাঁকে মারধর করেছেন। তাঁদের মধ্যে হাসিব আল ইসলাম, মো. সাইফুল্লাহ, সর্দার নাদিম মোহাম্মদ শুভ ও আবরারসহ আরও কয়েকজন রয়েছেন।
রাহিদ গণমাধ্যমকে বলেন, তাঁকে মাথা, হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ইট, বেল্ট ও মোটরসাইকেলের লক দিয়ে মারধর করা হয়। এসএম হলের সামনে থেকে শুরু করে ভিসি চত্বর, কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির সামনে এবং পরে শাহবাগ থানার সামনে পর্যন্ত তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর ভাষ্য, থানার ভেতরে নেওয়ার পর পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে।
তবে সাইফুল্লাহ দাবি করেন, রাহিদ জুলাই আন্দোলনের সময় হামলায় জড়িত ছিলেন এবং বিভাগ ও হল থেকে তাঁকে বয়কট করা হয়েছিল। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি রাহিদ ক্যাম্পাসে এসে সাবেক ছাত্রলীগের সদস্যদের নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি করছিলেন এবং পোস্টারিং করছিলেন। তাঁকে আটক করে পরে শাহবাগ থানায় দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় এখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এসএইচ
আপনার মতামত লিখুন :