ফাইল ছবি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–এর নেতৃত্বে ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর সমন্বয়ে নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয়েছে। ৫০ সদস্যের এই মন্ত্রিসভায় প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া অনেকেই জায়গা পেয়েছেন। মোট সদস্যের মধ্যে প্রায় ৪০ জনই নতুন মুখ।
মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবন–এর দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আগ্রহ থাকলেও ঘোষিত তালিকায় একাধিক প্রভাবশালী নেতার নাম না থাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–এর স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও সেলিমা রহমান।
দলের ভাইস চেয়ারম্যানদের মধ্যেও বরকত উল্লা বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও আসাদুজ্জামান রিপন মন্ত্রিত্ব পাননি।
চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমানউল্লাহ আমান, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মজিবুর রহমান সরোয়ার, গোলাম আকবর খোন্দকার, মাহবুবউদ্দিন খোকন ও ফজলুর রহমান মন্ত্রিসভায় আসতে পারেন বলে আলোচনা ছিল। শেষ পর্যন্ত তাদের কেউই স্থান পাননি।
এ ছাড়া দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় তাদের মন্ত্রী করা হতে পারে—এমন ধারণা ছিল রাজনৈতিক মহলে। তবে শেষ পর্যন্ত তারাও অন্তর্ভুক্ত হননি।
জ্যেষ্ঠ নেতাদের বাদ পড়া নিয়ে দল ও রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ চলছে। অনেকে মনে করছেন, নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়ার কৌশলেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এসএইচ
আপনার মতামত লিখুন :