কাঠমান্ডুতে অস্থিরতা

বাংলাদেশ-নেপাল ম্যাচ বাতিল ঘোষণা

  • ক্রীড়া ডেস্ক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৫, ০৮:৪৭ পিএম
বাংলাদেশ-নেপাল ম্যাচ বাতিল ঘোষণা

ঢাকা: মাঠে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল বাংলাদেশ দল। ঠিক তখনই নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (আনফা) জানায়, হোটেল থেকে বের হওয়া নিরাপদ নয়। এরপর হোটেলকক্ষে ফিরে যান জামাল ভূঁইয়ারা।

পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফ)। আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানিয়েছে, ‘বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন কাঠমান্ডুর সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। 

আমাদের সব সমর্থক ও ফুটবল পরিবারকে আশ্বস্ত করতে চাই, আমাদের দলের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, অল নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। দল নিরাপদে রয়েছে এবং তারা বর্তমানে টিম হোটেলে সুরক্ষিত আছে। বাফুফে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং আমাদের সব পদক্ষেপ ও প্রতিক্রিয়া গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।’

বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার আমের খান জানিয়েছেন, প্রীতি ম্যাচ হবে কি না, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে নেপাল ফুটবল। আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত পেতে আজ রাত ১০টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।

তবে বাংলাদেশের কাছে ফুটবলারদের নিরাপত্তাই আগে। যেমনটা বলেছেন আমের, ‘এখন পর্যন্ত কিছু বলতে পারছি না। নেপাল ফুটবল ম্যাচ নিয়ে মিটিং করে আমাদের জানাবে। আমাদের কাছে দলের নিরাপত্তার বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপত্তার ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চয়তা না পেলে দল নিয়ে আমরা বের হব না।’

বিক্ষোভ-সহিংসতায় গতকাল কাঠমান্ডুতে ১৪ জন নিহত হয়েছেন বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে। কাঠমান্ডু পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধের প্রতিবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণেরা বিক্ষোভ করেন। তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাধা পেরিয়ে পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণে ঢুকে পড়েন। তখন বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস, জলকামান, রাবার বুলেট ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে পুলিশ।

এমন পরিস্থিতিতে আজ বেলা ৩টার অনুশীলন স্থগিত করে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। এরপর টিম হোটেলেই রিকভারি সেশন হয় ফুটবলারদের।

গোলকিপার সুজন হোসেন নেপাল থেকে মুঠোফোনে বলেন, ‘আমরা টিম হোটেলেই আছি। তবে নেপালের পার্লামেন্ট ভবনের অবস্থা নাকি ভালো না। এক নেপালি অফিশিয়াল বললেন, অনেকেই মারা গেছেন। এমন অবস্থায় আর আমরা বের হইনি। হোটেলেই আজ (কাল) রিকভারি সেশন করেছি।’

এআর

Link copied!