সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বৈশ্বিক বায়ুদূষণের তালিকায় ঢাকার অবস্থান তৃতীয়। এ সময় রাজধানীর এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ছিল ১৬৫, যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়।
এ ধরনের বায়ুমান জনস্বাস্থ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং শ্বাসতন্ত্রজনিত রোগে আক্রান্তদের ওপর এর প্রভাব বেশি পড়ে। দূষিত বাতাসের কারণে শ্বাসকষ্ট, চোখ ও গলায় জ্বালাপোড়া, অ্যালার্জিজনিত সমস্যা এবং অন্যান্য শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি দীর্ঘ সময় ধরে এমন পরিবেশে অবস্থান করলে ফুসফুস ও হৃদ্যন্ত্রের বিভিন্ন রোগের ঝুঁকিও বাড়ে। ফলে নগরবাসীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত হতে পারে।
বৈশ্বিক বায়ুমান সূচকে শীর্ষ অবস্থানে থাকা শহরগুলোর মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে মালয়েশিয়ার কুচিং (স্কোর ১৮৫) ও কুয়ালালামপুর (স্কোর ১৭৭)।
দীর্ঘদিন ধরে মেগাসিটি ঢাকার বায়ুমান প্রায় নিয়মিতভাবেই অস্বাস্থ্যকর বা অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর স্তরে অবস্থান করলেও এর স্থায়ী কোনো সমাধান দৃশ্যমান হচ্ছে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে অপরিকল্পিত নগরায়ন, যত্রতত্র উন্নয়ন কাজ এবং রাস্তায় চলা পুরনো ও ত্রুটিপূর্ণ যানবাহনের কালো ধোঁয়া ঢাকার বাতাসকে প্রতিনিয়ত বিষাক্ত করে তুলছে। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই শহরের বিভিন্ন সড়কে খোঁড়াখুঁড়ি এবং উন্মুক্ত অবস্থায় নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখার কারণে বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণা বা পিএম টু পয়েন্ট ফাইভের মাত্রা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এম