প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং সম্ভাব্য গণভোটের মাধ্যমেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই জনগণের সিদ্ধান্ত প্রতিফলিত হবে এবং সেই সিদ্ধান্তই রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি হয়ে উঠবে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনের শিরোনাম ছিল— ‘উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা–২০২৬’।
তিনি বলেন, দেশের তরুণদের নিজস্ব রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ও সংগঠন রয়েছে। আগামী নির্বাচনে তাদের মধ্য থেকে অনেকেই জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে আসবেন।
একই সঙ্গে তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “স্বপ্ন দেখতে হবে বড় করে। দেশ গঠনের দায়িত্ব তরুণদের হাতেই।”
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সমালোচনা করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে শিক্ষাকে এখনো মূলত চাকরি পাওয়ার হাতিয়ার হিসেবে দেখা হয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “শিক্ষার্থীরা কেন চাকরির পেছনে ছোটে, উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখে না?”
ড. ইউনূস বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় সৃজনশীলতা ও উদ্যোগী মনোভাব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব না দিলে তরুণদের সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, দেশের তরুণদের নিজস্ব রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ও সংগঠন রয়েছে। আগামী নির্বাচনে তাদের মধ্য থেকে অনেকেই জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে আসবেন—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন প্রধান উপদেষ্টা।
একই সঙ্গে তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “স্বপ্ন দেখতে হবে বড় করে। দেশ গঠনের দায়িত্ব তরুণদের হাতেই।”
এদিন প্রধান উপদেষ্টা আনুষ্ঠানিকভাবে তিন দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। সম্মেলনে যুক্তরাজ্য, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি এবং বিশ্বব্যাংকের কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন।
এছাড়া বাংলাদেশসহ সার্কভুক্ত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), উচ্চশিক্ষা কমিশনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ, গবেষক ও কূটনীতিকরাও সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
এম
আপনার মতামত লিখুন :