দেশের সব জেলা ও শহরে সেনাবাহিনীর সদস্যদের মাঠ পর্যায় থেকে ধাপে ধাপে প্রত্যাহার শুরু হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জুন মাসের মধ্যেই সেনা সদস্যরা পুরোপুরি তাদের ব্যারাকে ফিরে যাবেন।
কোর কমিটির সভায় জানানো হয়েছে, প্রথমে দূরবর্তী জেলা থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু হবে। পরে ধাপে ধাপে বিভাগীয় শহর ও বড় জেলায় তাদের প্রত্যাহার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত নতুন সরকারের অধীনে গত মঙ্গলবার কোর কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সারাদেশে চাঁদাবাজি, পুলিশের পোশাক পরিবর্তনসহ নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় আলোচনা করা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, বিজিবি মহাপরিচালক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পটভূমি হিসেবে বলা যায়, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে আন্দোলন উত্তপ্ত হওয়ায় তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার সেনাবাহিনী মাঠে নামিয়েছিল। এরপরও আন্দোলনের তীব্রতায় পুলিশ বাহিনী কার্যত ভেঙে পড়ায় সেনাবাহিনী মাঠেই অবস্থান করেছিল। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সালে অন্তর্বর্তী সরকার সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা প্রদান করে।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ২০২৪ সালের আগস্টে জানিয়েছিলেন, পুলিশ পুনর্গঠিত হলে সেনা সদস্যরা স্বেচ্ছায় ব্যারাকে ফিরে যাবেন। গত বছরের নভেম্বর থেকে ধীরে ধীরে সেনা প্রত্যাহার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। এবার তা দেশের সব জেলা ও শহরে সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করা হবে।
এম
আপনার মতামত লিখুন :