জাতীয় সংসদ থেকে প্রাপ্ত নিজের পুরো পাঁচ বছরের সম্মানী ভাতা একটি কওমি মাদরাসায় ওয়াকফ করার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির। প্রতি মাসে সংসদ থেকে তিনি যে সম্মানী পাবেন, তা নির্ধারিত ওই মাদরাসার উন্নয়ন ও কল্যাণে ব্যয় করা হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিশিষ্ট আলেম ও ইসলামি বক্তা মাওলানা আলী হাসান ওসামা।
ফেসবুক পোস্টে মাওলানা ওসামা লেখেন, "আমিরে জামায়াত বলেছেন, 'প্রতি মাসে জাতীয় সংসদ থেকে যে সম্মানী ভাতা পান, পাঁচ বছরের জন্য সেটা তার আসনের একটি কওমি মাদরাসায় ওয়াকফ করে দিয়েছেন।' "
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে কওমি আলেমদের একাংশের দীর্ঘদিনের দূরত্ব বা বিরোধের যে গুঞ্জন রয়েছে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তার একটি ইতিবাচক জবাব দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সমালোচকদের ইঙ্গিত করে ফেসবুক পোস্টে মাওলানা আলী হাসান ওসামা আরও মন্তব্য করেন, "একদল হিংসুক এরপরও বলবে, জামায়াত কওমিবিদ্বেষী। 'যারে দেখতে না পারি, তার চলন বাঁকা।' "
আমিরে জামায়াতের এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এবং কওমি মাদরাসার প্রতি এই সদিচ্ছা ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ প্রশংসিত হচ্ছে। নেটিজেন ও সাধারণ আলেম-ওলামাদের অনেকেই একে কওমি ও জামায়াতের মধ্যকার পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ঐক্য বৃদ্ধির একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
আপনার মতামত লিখুন :