• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১

ভূমিহীনের জমি পল্লিচিকিৎসকের দখলে


ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি ডিসেম্বর ২১, ২০২২, ০৫:০১ পিএম
ভূমিহীনের জমি পল্লিচিকিৎসকের দখলে

ফাইল ছবি

সুনামগঞ্জ: সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার চামরদানী ইউনিয়নের আলীহারপুর গ্রামের বাসিন্দা পল্লিচিকিৎসক গোলাম মোস্তফার (৬০) বিরুদ্ধে ওই ইউনিয়নের দুই ভূমিহীনের সরকারিভাবে বন্দোবস্ত পাওয়া জমি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ভোগ দখল করে আসছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

এ নিয়ে প্রতিকার চেয়ে ওই ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামের বাসিন্দা জসীম উদ্দিন (৫৫) ও আলীহারপুর গ্রামের আজম খাঁ (৬০)।  রোববার দুপুরে মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। ইউএনওর কাছে দেওয়া লিখিত অভিযোগে জানা যায়, মধ্যনগর উপজেলার চামরদানী ইউনিয়নটি আগে ধর্মপাশা উপজেলার অধীনে ছিল।

চামরদানী ইউনিয়নের শালদিঘা হাওড়ের নারীজোড়া মৌজায় ১৭ একর ৭৫ শতক সরকারি খাস জমি রয়েছে। এর মধ্যে চামরদানী ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামের ভূমিহীন মো. জসীম উদ্দিন ও একই ইউনিয়নের আলীহারপুর গ্রামের আজম খাঁ ১৯৯৯ সালে দুই একর করে মোট চার একর বোরো জমি সরকার থেকে ৯৯ বছরের জন্য বন্দোবস্ত পান। প্রায় পাঁচ বছর পর ধর্মপাশা উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের লোকজন শালদিঘা হাওড়ে গিয়ে ওই দুজন ভূমিহীনের বন্দোবস্ত পাওয়া ৪ একর জমি ওই দুজনকে বুঝিয়ে দেন। বন্দোবস্ত পাওয়া জমি তারা চাষাবাদ করতে গেলে শুরু থেকেই তাদের ওই ইউনিয়নের আলীহারপুর গ্রামের বাসিন্দা পল্লিচিকিৎসক গোলাম মোস্তফা তার লোকজন নিয়ে এই জমিতে বোরো আবাদ কাজে বাধা দিয়ে আসছেন। তিনি তার লোকজন নিয়ে অবৈধভাবে এই জমি ভোগদখল করে আসছেন। 

চামরদানী ইউনিয়নের আলীহারপুর গ্রামের বাসিন্দা পল্লিচিকিৎসক গোলাম মোস্তফা ও তার লোকজনদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা কারও বন্দোবস্তকৃত জমি দখল করে ভোগদখল করছি না। 

মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ হাসান খান বলেন, অভিযোগটি আমি পেয়েছি। তদন্ত করে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোনালীনিউজ/এমএম/এসআই

Wordbridge School
Link copied!