• ঢাকা
  • বুধবার, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

আমি ইউনিক, এটা মানতেই হবে: মেঘনা আলম


সোনালী ডেস্ক অক্টোবর ৭, ২০২৬, ০৯:৫৩ পিএম
আমি ইউনিক, এটা মানতেই হবে: মেঘনা আলম

ছবি: ফেসবুক থেকে সংগৃহীত

চেহারার ভিন্নতা ও বৈশ্বিক বৈশিষ্ট্যের কারণে ছোটবেলায় বুলিংয়ের শিকার হলেও বর্তমান সময়ে এসে নিজের অবয়ব ও অনন্যতা নিয়ে এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন মডেল ও মানবাধিকারকর্মী মেঘনা আলম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর চেহারার স্বকীয়তা ও পরিবর্তনশীল লুকের কারণে শৈশবে তিনি ইনসিকিউরিটিতে ভুগতেন, অথচ বর্তমানের কৃত্রিম রূপচর্চার যুগে সেটিই এখন অনেকের কাছে অনুকরণীয় হয়ে উঠেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের বিভিন্ন লুকের ছবি ও রূপ নিয়ে মেঘনা আলম লিখেছেন, তাঁর চুল সামনে রাখা বা বেঁধে ফেলা কিংবা পোশাকের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে চেহারার লুকও ভিন্ন ভিন্ন মনে হয়। এমনকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়েও তাঁর আসল চেহারা ফুটিয়ে তোলা কঠিন।

ছোটবেলায় এই অনন্য চেহারার কারণে তাঁকে নানা বুলিং ও ইনসিকিউরিটির মুখে পড়তে হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি জানান, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এখন মানুষ বোটক্স, ফিলার ও সার্জারির মাধ্যমে কৃত্রিম উপায়ে একই রকম দেখতে হতে পছন্দ করছে। এমনকি অতীতে যারা তাঁকে নিয়ে উপহাস করত, ক্লিনিক সূত্রে তিনি জানতে পেরেছেন যে তারাও এখন তাঁর ছবি রেফারেন্স হিসেবে দেখিয়ে নিজেদের লুক পরিবর্তন করতে আসে।

নিজের বহুমুখী শারীরিক বৈশিষ্ট্যের কথা তুলে ধরে মেঘনা আলম বলেন, অতীতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজের সুযোগ থাকলেও নিজের অলসতার কারণে তা হয়ে ওঠেনি। কাস্টিংয়ের লোকজন তাঁর চেহারার বৈশিষ্ট্যকে 'অ্যাম্বিগিয়াস ফিচার্স' বা বহুমুখী বৈশিষ্ট্য হিসেবে উল্লেখ করতেন, যার ফলে তাঁকে চাইনিজ, জাপানিজ, অ্যারাবিয়ান কিংবা আমেরিকান-সব ধরনের লুকেই মানিয়ে যেত।

তিনি উল্লেখ করেন, মাস্ক পরলেও তাঁর গলার কণ্ঠ শুনে মানুষ তাঁকে চিনে ফেলে, যদিও বিভিন্ন দেশের মানুষের সঙ্গে কথা বলার সময় তাঁর উচ্চারণ বা অ্যাকসেন্টও দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার প্রবণতা রয়েছে।

এসএইচ 

Link copied!