মাঘের শেষ দিকে প্রকৃতিতে বসন্তের আগাম বারতা।ফুল কার না ভালো লাগে,যতদুর চোখ যায় শুধুই ফুল আর ফুল, সামনে আসছে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ দিবস। ১৪ ফেব্রুয়ারী বিশ্ব ভালোবাসা দিবস, পহেলা বৈশাখ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে ঝিনাইদহের ফুল চাষীরা।
তবে, সামনে জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে তাদের মাথায় চিন্তার ভাঁজ। এরপরও সামনে আসছে রোজা। সব মিলে গতবছরের মতো ফুলের বিক্রি না হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে চাষী ও ব্যবসায়ীরা।

ফুলের দ্বিতীয় রাজধানীখ্যাত জেলা বলা হয় ঝিনাইদহকে। জেলার ৬টি উপজেলার ৫টিতেই ব্যাপকভাবে ফুল চাষ হয়ে থাকে। এ জেলায় বছরের পর বছর কয়েক হাজার ফুল চাষী ফুল উৎপাদন, প্যাকেজিং এবং বিপননের সাথে জড়িত। সব ধরনের ফুল যেমন, গাঁদা, গোলাপ, রজনীগন্ধ্যাসহ বিভিন্ন বিদেশী ফুলের চাষ হয়ে আসছে এখানে। বছরের এইসময়টাই ফুলের ব্যবসাও হয় ভালো। কিন্তু এ বছরের চিত্র ভিন্ন। সামনে জাতীয় নির্বাচন ও রোজার কারণে ফুলের ব্যবসায় ধস নামার আশঙ্কা করেছে চাষী ও ব্যবসায়ীরা। এতে তাদের চরম লোকসান গুনতে হতে পারে। এখন এক ঝোপ্পা গাঁদা বিক্রি হচ্ছে ২শ টাকা, এক পিছ গোলাপ বিক্রি হচ্ছে ৮-১০ টাকা, একটা রজনীগন্ধ্যার ষ্টিক বিক্রি হচ্ছে ৫-৬ টাকা করে। তবে এই দাম ৩গুন হতে পারে যদি বাজার ভালো হয়। ঝিন্ইাদহ থেকে রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট-সহ সারা দেশে ফুল যায় সারাবছর ধরে। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর ফুলের চাষ বেড়েছে ৯১ হেক্টর জমিতে।
গত বছর ৩ দিবসকে সামনে রেখে জেলায় ৫ কোটি টাকার ফুল বিক্রি হয়েছিল। এ বছর জেলায় ফুলের চাষ হয়েছে ৪৮৯ হেক্টর জমিতে যা গত বছর ছিল ৩৯৮ হেক্টর।
এম
আপনার মতামত লিখুন :