ছবি : প্রতিনিধি
যশোর: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মেয়েরা যাতে উচ্চশিক্ষা লাভ করতে পারে সেজন্য মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত ফ্রি করবো। শুধু তাই নয়, যে সকল মেয়েরা ভালো রেজাল্ট করবে, তাদেরকে সরকার থেকে উপবৃত্তির ব্যবস্থা করবো।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে যশোর ঈদগাহ ময়দানে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ১৯৯১ থেকে ৯৬ সাল পর্যন্ত যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, সেই সময় তিনি মা-বোনদের শিক্ষিত করার জন্য, মা-বোনেরা যেন শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত না হন সেজন্য তিনি মেট্রিক পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করে দিয়েছিলন। পরবর্তীতে যখন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আবার ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছিলেন, তখন মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত ফ্রি করে দিয়েছিলেন।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত কাজ পূরণ করতে চায়। সেজন্যই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি- ইনশাআল্লাহ মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত ফ্রি করবো। যাতে মেয়েরা উচ্চশিক্ষা লাভ করতে পারে। শুধু তাই নয়, যে সকল মেয়েরা ভালো রেজাল্ট করবে, তাদেরকে আমরা সরকার থেকে উপবৃত্তির ব্যবস্থা করবো।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা নির্বাচনের আগে বলেছিলাম বাংলাদেশে মসজিদগুলোর কথাই বলুন, মাদরাসার কথা বলুন বা অন্য ধর্মের যেসব উপাসনালয় আছে সেখানে যে সকল ব্যক্তিবর্গ আছেন- ধর্মীয় গুরু বা মসজিদের ইমাম বা খতিব বা মুয়াজ্জিন সাহেব যারা আছেন, এই মানুষগুলো অনেকেই আছেন মানবেতর জীবনযাপন করেন। আমরা বলেছিলাম আমরা সরকার গঠনে সক্ষম হলে এই মানুষগুলোর জন্য সম্মানের ব্যবস্থা করব। আপনাদের দোয়া ও আল্লাহর রহমতে সেই কাজও আমরা শুরু করেছি।
তিনি বলেন, বিএনপি সরকার গঠনে সক্ষম হলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করবো- এই প্রতিশ্রুতি আমরা সরকার গঠনের প্রথম সাত থেকে দশ দিনের মাথায় বাস্তবায়ন করেছি। সারা বাংলাদেশে প্রায় ১২ লাখ কৃষক এই সুবিধা ইনশাআল্লাহ পাবে।
বেকারদের কর্মসংস্থান নিয়ে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশে বহু তরুণ- ছেলে হোক মেয়ে হোক, বেকার হয়ে বসে আছে। তাদের হয়তো শিক্ষা আছে কিন্তু কর্মসংস্থানের সুযোগ নেই। আমরা বলেছিলাম বন্ধ কল-কারখানাগুলো চালু করার ব্যবস্থা করব। ইনশাআল্লাহ ধীরে ধীরে বাংলাদেশের বহু বন্ধ কল-কারখানা আমরা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে চালু করার ব্যবস্থা করব।
ক্রীড়া উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামী মাসে দুই তারিখে আমি সিলেট যাচ্ছি। সেখান থেকে আমরা সমগ্র বাংলাদেশে নতুন ও পেশাদার খেলোয়াড় তৈরির কাজ শুরু করব। এর মধ্যে যারা পেশাদার খেলোয়াড় এ রকম ৫০০ খেলোয়াড়কে আমরা সরকারের পক্ষ থেকে সম্মাননা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।
পিএস
আপনার মতামত লিখুন :