এক ক্লিকেই মিলবে রক্তদাতার তথ্য, বাকৃবিতে স্মার্ট অ্যাপের যাত্রা শুরু

  • বাকৃবি প্রতিবেদক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: মে ১৫, ২০২৬, ০৫:০৮ পিএম
এক ক্লিকেই মিলবে রক্তদাতার তথ্য, বাকৃবিতে স্মার্ট অ্যাপের যাত্রা শুরু

ছবি : প্রতিনিধি

বাকৃবি: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) স্বেচ্ছায় রক্তদাতা সংগঠন বাঁধনের হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী হল ইউনিটের কার্যক্রমে নতুন প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ যুক্ত হয়েছে। সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সহজতর করার লক্ষ্যে অ্যাপভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম  “ব্লাড ডোনার ট্র্যাকার” চালু করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৫ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেন হল ইউনিটের সভাপতি মো. লিমন মিয়া।

বাঁধন, বাকৃবি জোনের অধীনে প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত ২৫ বছর ধরে থ্যালাসেমিয়াপ্রবণ ময়মনসিংহ অঞ্চলের অসংখ্য রোগীর পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী হল ইউনিট। সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কার্যক্রমকে আধুনিকায়নের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউনিটের কার্যকরী পরিষদ-২০২৬।

তিনি জানান, অ্যাপটির স্বত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছেন অ্যাপটির ডেভেলপার ও ইউনিটের তথ্য ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মো. মুশফিকুর রহমান সিফাত। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাঁধন, বাকৃবি জোনের সাধারণ সম্পাদক মো. নাঈমুল ইসলাম শিমুল, উক্ত হল ইউনিটের উপদেষ্টা মো. বকুল আলী সহ কার্যকরী পরিষদ ২০২৬ এর সকল বাঁধন কর্মী বৃন্দ।

সংগঠন সূত্রে জানা যায়, অ্যাপটিতে প্রাথমিকভাবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার সংযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘হ্যান্ড-টু-হ্যান্ড এডিটেবল সিস্টেম’, যার মাধ্যমে প্রতিদিন মোবাইল ফোন থেকেই সহজে রক্তদাতাদের তথ্য ইনপুট ও হালনাগাদ করা যাবে। ফলে ডোনারদের তথ্য সবসময় আপডেট থাকবে। এ ছাড়া ‘ওয়ান-ক্লিক অ্যাভেইলেবল ডোনার লিস্ট’ ফিচারের মাধ্যমে গ্রুপ ও সেশনভিত্তিক অ্যাভেইলেবল ডোনারদের তালিকা এক ক্লিকেই পাওয়া যাবে। জরুরি মুহূর্তে দ্রুত রক্তদাতা খুঁজে পেতে এটি সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অ্যাপটিতে আরও রয়েছে ‘মান্থলি রিপোর্ট জেনারেটর’ সুবিধা। এর মাধ্যমে খুব সহজেই মাসিক রক্তদান কার্যক্রমের রিপোর্ট তৈরি করা সম্ভব হবে। এতে সময় ও শ্রম দুটোই কমবে।

এ ছাড়া ‘অ্যাভেইলেবিলিটি রিমাইন্ডার/কমেন্ট সেকশন’ ফিচারের মাধ্যমে কোনো রক্তদাতা ভবিষ্যতে কবে আবার রক্ত দিতে পারবেন, সেই তথ্য সংরক্ষণ করা যাবে। ফলে নির্দিষ্ট সময় পর তাঁর সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ করা সহজ হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, হল ইউনিটটির যে কেউ অ্যাপে তথ্য যুক্ত করলে তা সংশ্লিষ্ট সবাই দেখতে পারবেন।

হল ইউনিটটির সভাপতি মোঃ লিমন মিয়া জানান, “অ্যাপটির কিছু কাজ এখনো চলমান রয়েছে। খুব শিগগিরই নতুন কিছু ফিচার সংযোজন করে এক মাসের ট্রায়াল পরিচালনা করা হবে। পরবর্তীতে এটি আরও বড় পরিসরে ব্যবহার উপযোগী করা যায় কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

পিএস

Link copied!