চুকনগরে ৭৫ দোকান নিয়ে বিতর্ক, যা বলছেন খুলনার প্রশাসক

  • খুলনা ব্যুরো | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: জুলাই ২৫, ২০২৬, ০৮:২৮ পিএম
চুকনগরে ৭৫ দোকান নিয়ে বিতর্ক, যা বলছেন খুলনার প্রশাসক

ছবি: প্রতিনিধি

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর বাজারে জেলা পরিষদের আওতাধীন ৭৫টি দোকান ঘর উচ্ছেদের গোপন তৎপরতার অভিযোগে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। এতে ব্যবসায়ী ও কর্মচারীদের অন্তত ২ থেকে ৩ হাজার পরিবারের রুটি-রুজি বন্ধের আশঙ্কায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে পুরো এলাকায়।

ব্যবসায়ীরা জানান, ২০২৩ সালে সরকারি নিয়ম মেনে খুলনা জেলা পরিষদ থেকে বৈধভাবে বরাদ্দ পেয়ে তারা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে আসলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী পরিস্থিতিতে সাময়িকভাবে খাজনা আদায় বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে চুকনগর বাজার জেলা পরিষদের অন্তর্ভুক্ত দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. ফরহাদ হোসেন বাবুর নেতৃত্বে ব্যবসায়ীরা খুলনা জেলা পরিষদের বর্তমান প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পির সঙ্গে দেখা করে বকেয়া খাজনা পরিশোধের অনুমতি চান। জেলা পরিষদের পত্র অনুযায়ী তারা ব্যাংকের মাধ্যমে সরকারি রশিদে বকেয়াসহ খাজনা জমাও দেন।

তবে সম্প্রতি একটি মহল চুকনগর বাজার বণিক সমিতির শীর্ষ নেতাদের মাধ্যমে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ওই ৭৫টি দোকান উচ্ছেদ করে নতুনভাবে বরাদ্দের আবেদন জানিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা। ভুক্তভোগীদের দাবি, দীর্ঘদিন খাজনা না দেওয়া কিছু অসাধু ব্যবসায়ী তাদের স্বার্থে আঘাত লাগায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।

এ বিষয়ে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ মনিরুল হাসান বাপ্পী জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর কোনো উচ্ছেদ অভিযান বা অবৈধ অর্থ আদায়ের ঘটনা ঘটেনি। দীর্ঘদিন অনাদায়ী থাকা প্রায় ৬ লাখ টাকা সরকারি খাজনার নোটিশ পেয়ে ব্যবসায়ীরা তা ব্যাংকে জমা দিয়েছেন। অনাদায়ী টাকা পরিশোধ করতে হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে কেউ মিথ্যা প্রচার চালাতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি। কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বৈধ ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এসএইচ

Link copied!