ব্যাগ বেচে সাত মাসে আড়ংয়ের আয় ৩ কোটি টাকা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: মে ১১, ২০২৬, ০৬:৫৬ এএম
ব্যাগ বেচে সাত মাসে আড়ংয়ের আয় ৩ কোটি টাকা

ক্রেতাদের কাছে ব্যাগ বিক্রি করে সাত মাসে প্রায় ২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা আয় হয়েছে বলে জানিয়েছে আড়ং। মুনাফায় যুক্ত না করে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামারা হাসান আবেদ এই অর্থ পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়নভিত্তিক তিনটি প্রকল্পে ব্যয় করার কথা জানিয়েছেন।

রোববার (১০ মে) রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, পচনশীল হলেও কাগজের ব্যাগ তৈরির জন্য বিপুল পরিমাণ গাছ কাটতে হয়। আমরা চাই মানুষ আবার ব্যাগ সঙ্গে নিয়ে আসার সংস্কৃতিতে ফিরুক।

পরিবেশবান্ধব অভ্যাস গড়ে তোলা এবং একবার ব্যবহারযোগ্য প্যাকেজিং কমানোর উদ্যোগ নিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। এর জেরে ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে গ্রাহকদের পণ্যের সঙ্গে বিনামূল্যে ব্যাগ দিচ্ছে না তারা। এরপর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা কম হয়নি, হয় রিটও। নেটিজেনরা তুলে নানারকম প্রশ্ন। এতকিছুর পরেও গ্রাহকদের কাছে ব্যাগ বিক্রি করে বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করেছে আড়ং। মাত্র সাত মাসে গ্রাহকদের কাছে প্রায় তিন কোটি টাকার ব্যাগ বিক্রি করেছে তারা।

সংবাদ সম্মেলনে আড়ংয়ের ক্যাম্পেইনের প্রভাব তুলে ধরা হয়। জানানো হয়, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত সাত মাসে আড়ং প্রায় ২৩ লাখ ১২ হাজার পেপার ব্যাগ বিক্রি করেছে। এতে আয় হয়েছে দুই কোটি ৮৯ লাখ ৯০ হাজার ৮১২ টাকা।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত সাত মাসে আড়ং প্রায় ২৩ লাখ ১২ হাজার পেপার ব্যাগ বিক্রি করেছে। অথচ আগের বছরের একই সময়ে প্রায় ৬৯ লাখ ৯২ হাজার ব্যাগ বিনামূল্যে দেওয়া হয়েছিল। বিগত সাত মাসে প্রায় ৪৬ লাখ ৭৯ হাজার ব্যাগের ব্যবহার কমেছে।

ব্যাগ বিক্রির অর্থ থেকে ব্র্যাকের অতিদরিদ্র উত্তরণ কর্মসূচির আওতায় ৪০০ অতি-দরিদ্র নারীর মধ্যে ৮০০টি মেহগনি ও ফলদ গাছের চারা কিনে বিতরণ করবে। বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পুনরুদ্ধার ও বাস্তুসংস্থান সংরক্ষণে ৫০ লাখ টাকা সহায়তা এবং জাপানি ‘মিয়াওয়াকি’ পদ্ধতিতে ক্ষুদ্র বনাঞ্চল তৈরির জন্য ‘মিশন গ্রিন’ উদ্যোগে ৫০ লাখ টাকা দেবে আড়ং।

এক প্রশ্নের জবাবে আড়ং–এর কর্মকর্তারা জানান, তাদের প্রতিষ্ঠান সামাজিক ব্যবসা কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত হয়। এর লভ্যাংশ ব্র্যাকের সামাজিক কার্যক্রমে ব্যয় করা হয়। আলাদা কোনো করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিল নেই।

এম

Link copied!