খালেদা জিয়ার মৃত্যু

সরকারি ও সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫, ০৩:৪১ পিএম
সরকারি ও সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা

ফাইল ছবি

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সভা শুরুতে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন মোনাজাত পরিচালনা করেন।

সভা শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আগামীকাল বুধবার থেকে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি আগামীকাল এক দিনের সাধারণ ছুটির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। আগামীকাল দেশের সব মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হবে। অন্যান্য ধর্মের উপাসনালয়গুলোতেও বিশেষ প্রার্থনার ব্যবস্থা থাকবে। এ ছাড়া বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোতে শোক বই খোলা হবে।

বিশেষ সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বেগম খালেদা জিয়ার পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং তাঁর নিরাপত্তাসহ সব ধরনের সহযোগিতার জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান।

মির্জা ফখরুল জানান, আগামীকাল বুধবার বাদ জোহর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা ও সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। তাঁকে শহীদ রাষ্ট্রপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের পাশে দাফন করা হবে।

সভায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার দাফন ও জানাজা সংশ্লিষ্ট সব বিষয়ে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। তিনি বলেন, ‘আজ গভীর শোকের দিনে আমরা সবাই একত্রিত হয়েছি। জাতির পক্ষ থেকে আমরা তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই এবং তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।’

স্মৃতিচারণ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সর্বশেষ ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসে তাঁর সঙ্গে দেখা হয়েছিল। তিনি নিজে অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও সবার খোঁজখবর নিয়েছেন। জাতির এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাঁর উপস্থিতি আমাদের খুব প্রয়োজন ছিল। তাঁর চলে যাওয়া জাতির জন্য এক বিরাট ক্ষতি।’

এসএইচ 

Link copied!