নবম পে-স্কেলে স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব স্তরের শিক্ষকদের জন্য আলাদা বেতন কাঠামো চালুর দাবি দীর্ঘদিনের। এ দাবির বিষয়ে পে-কমিশনের কাছ থেকে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিললেও সুপারিশ জমা দেওয়ার শেষ পর্যায়ে এসে হতাশাজনক তথ্য জানা গেছে।
পে-কমিশন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন কাঠামোর দাবিকে কমিশন নীতিগতভাবে সমর্থন করলেও এটি তাদের এখতিয়ারভুক্ত নয়। কমিশনের কাজ মূলত বিদ্যমান বেতন গ্রেড ও কাঠামো পর্যালোচনা করে সুপারিশ দেওয়া। আলাদা বেতন কাঠামো নির্ধারণের বিষয়টি সার্ভিস কমিশনের আওতাভুক্ত হওয়ায় পে-কমিশন এ বিষয়ে সরাসরি কোনো সুপারিশ করতে পারবে না।
ফলে আসন্ন পে-স্কেলে শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে পে-কমিশনের সুপারিশে বিষয়টি না থাকলেও শিক্ষকদের দাবি থেকে সরে আসা হবে না বলে জানিয়েছেন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)-এর সভাপতি ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
গণমাধ্যমে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, “আমরা পে-কমিশনের কাছে স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের দাবি জানিয়েছিলাম এবং কমিশনের চেয়ারম্যান বিষয়টি ইতিবাচকভাবেই দেখেছিলেন। শেষ পর্যন্ত যদি এ বিষয়ে কোনো সুপারিশ না আসে, তাহলে তা অত্যন্ত দুঃখজনক হবে। তবে আমরা নির্বাচিত সরকারের কাছেও এই দাবি জোরালোভাবে উপস্থাপন করব।”
উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা পর্যালোচনার জন্য গত জুলাই মাসে অন্তর্বর্তী সরকার একটি পে-কমিশন গঠন করে। কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে সুপারিশ জমা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। সে অনুযায়ী আগামী বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) কমিশনের সুপারিশ জমা দেওয়ার শেষ দিন।
এম
আপনার মতামত লিখুন :