ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) নীতি সুদহার বাড়ানো এবং ভবিষ্যতে তা আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দেওয়া সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে বাজারে তেলের দাম কিছুটা কমেছে, যা মূল্যবান ধাতুর বাজারকে ইতিবাচক গতি দিতে ভূমিকা রাখছে।
বৃহস্পতিবার সকালে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ২৯৫ দশমিক ২৬ ডলারে দাঁড়ায়। এর আগের দিন বুধবারও দর বৃদ্ধির পর হঠাৎ ছয় সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছিল স্বর্ণের দাম। তবে বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড ও অপরিশোধিত তেলের দরপতনের পর স্বর্ণের বাজারে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর প্রবণতা দেখা গেছে। ডিসেম্বরে সরবরাহের জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার মূল্য অবশ্য ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৩৩ দশমিক ৯০ ডলারে নেমেছে।
বাজার বিশ্লেষক কেলভিন ওং জানান, তেলের দরপতন মধ্যমেয়াদে স্বর্ণের দাম বাড়াতে সহায় হতে পারে। ফেডের কঠোর নীতির বার্তা ইতোমধ্যে বাজারে প্রতিফলিত হয়েছে এবং কারিগরি পরিস্থিতির কারণে স্বর্ণের দাম ইতিবাচক রয়েছে।
সাধারণত উচ্চ মূল্যস্ফীতি থেকে সুরক্ষা পেতে বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণে বিনিয়োগ করেন। তবে নীতি সুদহার বাড়লে সুদনির্ভর সম্পদের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ বাড়ে, যা স্বর্ণের স্বাভাবিক চাহিদা কিছুটা কমায়। ফেডের ১৮ জন নীতিনির্ধারকের মধ্যে ১৬ জনই চলতি বছরের শেষ নাগাদ অন্তত আরও একবার ০ দশমিক ২৫ শতাংশীয় পয়েন্ট সুদহার বাড়ানোর পক্ষে মতামত দিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক বাজারের পাশাপাশি ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকেও নজর রাখছেন বিনিয়োগকারীরা। এর বাইরে স্পট মার্কেটে রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়াম-সবকটি মূল্যবান ধাতুরই দাম বেড়েছে।
এসএইচ