বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে তিন দিনের ছুটিসহ ৮ পরিকল্পনা নিল সরকার

  • নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: মার্চ ৩১, ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে তিন দিনের ছুটিসহ ৮ পরিকল্পনা নিল সরকার

ফাইল ছবি

চলমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সাপ্তাহিক ছুটি তিন দিন করা, আংশিক ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালু এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাসসহ আটটি পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এসব প্রস্তাবের মধ্যে কোনগুলো বাস্তবায়ন করা হবে, তা আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভায় চূড়ান্ত করা হবে।

মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি সূত্র জানায়, জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের সাপ্তাহিক ছুটি একদিন বাড়িয়ে তিন দিনে নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। তবে ছুটি বাড়ানো না হলে বিকল্প হিসেবে সপ্তাহে দুদিন ঘরে বসে কাজের সুযোগ দেওয়া বা অফিসের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

সূত্র আরও জানায়, ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালু হলে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সপ্তাহে অন্তত দুই দিন এ সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি স্কুলগুলোতে সপ্তাহে অন্তত তিন দিন অনলাইন ক্লাস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে এখনো কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

এদিকে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে মহানগর এলাকার স্কুলগুলোতে অনলাইন ও অফলাইন মিলিয়ে ক্লাস চালুর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি এবং বিষয়টি মন্ত্রিপরিষদের সভায় উপস্থাপন করা হবে।

তিনি জানান, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকার নানা নির্দেশনা বিবেচনা করছে। এর অংশ হিসেবে স্কুলগুলো সপ্তাহে পাঁচ দিনের পরিবর্তে ছয় দিন খোলা রেখে অনলাইন ও অফলাইন সমন্বয়ে ক্লাস চালুর চিন্তাভাবনাও রয়েছে। বিশেষ করে মহানগর এলাকায় অনলাইনভিত্তিক ক্লাস চালুর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সাম্প্রতিক ছুটি ও বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। সেটি পুষিয়ে নিতে সাপ্তাহিক ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। একই সঙ্গে পুরোপুরি অনলাইনে গেলে শিক্ষার্থীদের সামাজিক বিকাশে প্রভাব পড়তে পারে—এই বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

সরকারের উচ্চপর্যায়ে এ নিয়ে আলোচনা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা হয়েছে বলে জানা গেছে। এখন মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

এসএইচ 
 

Link copied!