ফাইল ছবি
ঢাকা: ৯ম পে স্কেলে সুপারিশকৃত ২০ হাজার টাকা কাটছাট মানবেনা সাধারণ কর্মচারীরা বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি।
গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংগঠনটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন মিডিয়া, টেলিভিশন, সংবাদ, পেপার ও পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য সূত্রে জানা যাচ্ছে সচিব কমিটি নিম্ন গ্রেডে ১০০% (৮২৫০×১০০%=১৬৫০০) বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করেছেন, যা কর্মচারী অঙ্গনে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশার জন্ম নিচ্ছে এবং যা অতীতের যে কোন পে স্কেলে ১৪০% বা তারও বেশি সুপারিশ বাস্তবায়ন হয়েছে ১০-২০ তম গ্রেড ভুক্ত চাকরিজীবিদের।
দীর্ঘ ১১ বছর পর বহু আন্দোলন সংগ্রাম ও কর্মচারীদের দাবির প্রেক্ষিতে নবম পে স্কেল হতে যাচ্ছে, যাকে কেন্দ্র করে প্রতিনিয়ত বাজার মূল্যের উপরে প্রভাব বিস্তার করছে। বেতন বৃদ্ধির আগেই দ্রব্যমূল্য আকাশচুম্বি হয়ে গেছে, যা নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী এমনকি সাধারণ মানুষের মধ্যেও হতাশার রুপ নিচ্ছে। নিম্ন গ্রেড ভুক্ত কর্মচারীরা কোনভাবেই দ্রব্যমূল্যের সাথে প্রতিযোগিতায় পাল্লা দিয়ে পেরে উঠছে না। নবম পে স্কেলে যে পরিমাণ বেতন বৃদ্ধি পাবে তার চেয়ে বহু গুণে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়ে অনেক আগেই মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২০২০ সালে এবং ২০২৫ সালে দুইটি পে স্কেল পাওয়ার কথা থাকলেও একটিও হয়নি। জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫ এর মতবিনিময় সভায় কর্মচারীদের বর্তমান অবস্থা ও দ্রব্যমূল্যের পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে। সে অনুযায়ী দুইটা পে স্কেলের সমন্বয় করে সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল। কিন্তু সেটাকে কাটছাট করে সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকার সুপারিশ প্রনয়ণ করেন।
অপরদিকে ১:৪ অনুপাতে সর্বোচ্চ এক লক্ষ ৪০ হাজার টাকার কথা বলা হলেও সেটাকে বাড়িয়ে এক লক্ষ ৬০ হাজারের সুপারিশ করে বৈষম্যের আরেক ধাপ এগিয়ে দিলেন।
সচিব পর্যায় সুপারিশ প্রণয়ন কমিটি সেই ২০ হাজার টাকাকেও কাটছাট করা হলে ৯ম পে স্কেলের বর্ধিত বেতন ও দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধির সাথে কোনভাবেই সামঞ্জস্য হবে না। যার ফলে কর্মচারীরা ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং সেই অস্থিরতা হতাশা অভাব থেকেই যাবে। বরং সচিব কমিটি ও মন্ত্রিসভার অনুমোদনে সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকাকে আরো একটু বাড়িয়ে বাজার মূল্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গেজেট প্রকাশের দাবি করছেন সাধার কর্মচারীদের পক্ষে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি।। এ ব্যাপারে কর্মচারী বান্ধব মানবতার ফেরিওয়ালা বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী মহোদয়ের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি
একই সাথে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করে বাজার মূল্য দিন দিন বৃদ্ধির হাত থেকে মুক্তি চাই।
পিএস