পে ফিক্সেশনে যেসব তথ্য লাগবে, জেনে নিন একনজরে

  • নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: অক্টোবর ৪, ২০২৬, ০৩:৩৫ পিএম
পে ফিক্সেশনে যেসব তথ্য লাগবে, জেনে নিন একনজরে

ফাইল ছবি

নতুন বেতনকাঠামোয় কে কত বেতন পাবেন এবং অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে কত টাকা বকেয়া মিলবে, তা নিয়ে এখন সরকারি চাকরিজীবীদের মাঝে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। নতুন এই বেতন নির্ধারণ বা পে ফিক্সেশনের কাজ সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে। আইবাস প্লাস প্লাসের নির্ধারিত মডিউলে অনলাইনে চাকরিসংক্রান্ত তথ্য দিয়ে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর পে ফিক্সেশন শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে।

সঠিকভাবে পে ফিক্সেশন সম্পন্ন করতে চাকরিজীবীদের নির্দিষ্ট কিছু তথ্য ও নথিপত্র প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে-

জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও জন্মতারিখ।
বর্তমান পদবি ও গ্রেড।
চাকরিতে যোগদানের সঠিক তারিখ।
৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতন।
আগের বেতন নির্ধারণ, পদোন্নতি ও বদলির তথ্য।
টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেডসংক্রান্ত অফিস আদেশ ও প্রয়োজনীয় নথি।
আইবাস প্লাস প্লাসে নিবন্ধিত সচল মোবাইল নম্বর।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনলাইনে তথ্য পূরণ করে আবেদন জমা দিলেই পে ফিক্সেশনের প্রক্রিয়া শেষ হবে না। সংশ্লিষ্ট বেতন ও হিসাব পরিশোধ কর্মকর্তার কার্যালয় চাকরির নথির সঙ্গে অনলাইনে দেওয়া তথ্য পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মিলিয়ে দেখবে। তথ্য সঠিক থাকলে তবেই চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে। অনুমোদনের পর আইবাস প্লাস প্লাস থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি বিশেষ যাচাই নম্বর তৈরি হবে, যা চাকরির নথিতে লিপিবদ্ধ করতে হবে।

পে ফিক্সেশন শেষ হওয়ার পর নতুন মূল বেতনের ভিত্তিতে অক্টোবরের বেতন বিল তৈরি করা হবে। একই সঙ্গে নতুন ও পুরোনো বেতনের পার্থক্য হিসাব করে প্রায় তিন মাসের বকেয়া বা এরিয়ার নির্ধারণ করা হবে। তবে গ্রেড, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতন এবং বেতন কার্যকর হওয়ার তারিখের ওপর নির্ভর করে সবার বকেয়ার পরিমাণ ভিন্ন হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোনো তথ্য ভুল বা অসম্পূর্ণ থাকলে বেতন নির্ধারণে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে, তাই পে ফিক্সেশনের সময় চাকরির আগের ইতিহাস ও প্রয়োজনীয় সব তথ্য সঠিকভাবে দেওয়ার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এসএইচ 

Link copied!