ছবি : বাসস
ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সড়কপথে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। এ সফরে জেলা সদরসহ তিনটি উপজেলা সফর করবেন তিনি।
রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে গুলশানের বাসভবন থেকে পাকুন্দিয়ার উদ্দেশে রওনা হন তিনি। দিনব্যাপী এ সফরে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, বৃক্ষরোপণ, মাছের পোনা অবমুক্তকরণ মৎস্যপক্ষ উদ্বোধন, পুরস্কার বিতরণ এবং বিভিন্ন ব্যক্তিদের অনুদান ও সম্মানি প্রদানসহ নানা কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-১ মো. উজ্জ্বল হোসেন স্বাক্ষরিত সফরসূচি অনুযায়ী এসব তথ্য জানা গেছে।
এ সফরকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মী এবং সমর্থকদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
কিশোরগঞ্জ সফরে প্রথমে পাকুন্দিয়া উপজেলায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল সাড়ে ১১টায় পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যানবাড়ি ঘাট এলাকায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, মৎস্যচাষিদের মাঝে পোনা বিতরণ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। সেখান থেকে কটিয়াদী উপজেলায় আসবেন।
দুপুর সাড়ে ১২টায় সেখানে কার্প হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন এবং দুপুর ১টায় আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশন মাঠে আয়োজিত জাতীয় মৎস্যপক্ষ-২০২৬ উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন।
দুপুর আড়াইটায় কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহে আবেন প্রধানমন্ত্রী। শোলাকিয়া ময়দানে সরকারের গৃহীত উন্নয়ন কার্যক্রম উদ্বোধন এবং কিশোরগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। বিকেল ৪টায় কিশোরগঞ্জ পুরাতন স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরতদের সম্মানি প্রদান করবেন।
সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান ১৯৯৮ সালে প্রথম কিশোরগঞ্জ এসেছিলেন।
সে সময় ভৈরব ও কুলিয়ারচরে একাধিক পথসভা ও জনসভায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। তবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এ জেলায় এবারই তাঁর প্রথম সফর। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে ২২ জানুয়ারি ভৈরবে নির্বাচনী জনসভায় এসেছিলেন তারেক রহমান।
এসআই