আসন সমঝোতা নিয়ে নতুন বার্তা দিলেন জামায়াত আমির

  • নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম
আসন সমঝোতা নিয়ে নতুন বার্তা দিলেন জামায়াত আমির

ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামীকাল বা পরশুর মধ্যেই জোটের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস আইজাবসের নেতৃত্বে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের বিষয়টি সুরাহা নিয়ে জানতে চাইলে জামায়াত আমির বলেন, আপনারা আগামীকালের ভেতরে দাওয়াত পাবেন, না হলে পরশুদিন। সবার সামনে আমরা একসঙ্গে আসবো।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস আইজাবসের নেতৃত্বে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জামায়াত আমিরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. যুবায়ের আহমেদ, উন্নয়ন টিম লিড দেওয়ান আলমগীর এবং জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।

জানা গেছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করেছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। টানা কয়েক দিন ধরে আলোচনা ও দরকষাকষি শেষে এই সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে। 

সমঝোতার অংশ হিসেবে জামায়াত মোট ১১০টি আসন ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। তথ্য অনুযায়ী, জামায়াত মোট ১৯০টি আসন নিজেদের জন্য রেখে বাকি আসনগুলো নিয়ে অন্যান্য শরিক দলের সঙ্গে সমঝোতায় যেতে চায়। 
নিজস্ব জরিপের ফলাফল বিশ্লেষণ করে জামায়াত ১৭০টি আসন নির্দিষ্ট করেছে। যেগুলোতে কোনোভাবেই অন্য দলকে ছাড় দিতে চায় না। এ ছাড়া আরও ২০টি আসন নিয়ে পর্যবেক্ষণ চালানো হচ্ছে। এসব আসনে অন্য দলকে প্রার্থী দিলে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলা সম্ভব হবে না—এমন বিবেচনায় ওই ২০টি আসনেও জামায়াত প্রার্থী দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১১ দলের মধ্যে মোটামুটি একটি সমঝোতায় পৌঁছানো গেছে। এতে ইসলামী আন্দোলনকে ৪০টি আসন, জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ৩০টি আসন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে ১৫টি আসন, খেলাফত মজলিসকে ৭টি আসন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টিকে (এলডিপি) ৪টি আসন, এবি পার্টিকে ৩টি আসন এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টিকে (বিডিপি) ২টি আসন ছাড় দেওয়ার বিষয়ে জামায়াত সম্মত হয়েছে বলে জানা গেছে।

পিএস

Link copied!