প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে লুকাস পাকেতার নিখুঁত পাস থেকে দুর্দান্ত এক গোল করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। চলতি বিশ্বকাপে এটি ছিল ভিনির দ্বিতীয় গোল। তার এই গোলেই ব্রাজিলের লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।
শুরুতেই গোল পেয়েছিল ব্রাজিল। কিন্তু অফসাইডে তা বাতিল হয়ে গেছে। পরে কুনহা গোল করে ব্রাজিলকে এগিয়ে দেন। ১৩ মিনিটের ব্যবধানে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি।
১৩ মিনিটে দানিলোর বাড়ানো বল ধরে রাফিনহা রক্ষণভাগের পেছনে দ্রুত ছুটে যান এবং প্লেসিডকে পরাস্ত করে প্রচণ্ড শক্তিতে একটি বুলেট গতির শট নেন।
স্টেডিয়াম উল্লাসে ফেটে পড়ে, কিন্তু লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা তোলায় গোলটি বাতিল হয়ে যায়।
২২ মিনিটে রাফিনহা গোলকিপারকে একা পেয়েও লক্ষ্যে শট রাখতে পারেননি। অবশ্য বল জালে জড়ালেও গোল হতো না, কারণ তিনি অফসাইডে ছিলেন।
পরের মিনিটে ব্রাজিল গোল পেয়ে যায়। ব্রাজিলের খেলোয়াড়রা বল সামনের দিকে ঠেলে দেন। গোলপোস্টের সামনে হাইতির ডিফেন্ডাররা এলোমেলো হয়ে পড়ে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের কাট ইন থেকে কুনহা কোনোমতে বলটি ঠেলে দিতে সক্ষম হন। অবশ্য প্রথমে ডেলক্রোয়ার গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে এবং কুনহার শরীরে লেগে রিবাউন্ড হয়ে গোলে ঢুকে যায়।
বিরতির আগে আবারও কুনহা জাল কাঁপান। ভিনিসিয়ুস চমৎকার এক পাসে রক্ষণভাগের পেছনে বল বাড়িয়ে দেন তার উদ্দেশ্যে। বল ধরে কুনহা ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে কোনাকুনিভাবে প্রথম পোস্টের দিকে ছুটে যান এবং জোরালো গতিতে জাল লক্ষ্য করে এক বুলেট গতির শট নেন। বল সরাসরি জালের একদম ওপরের অংশে আছড়ে পড়ে! তার বাঁ পায়ের রকেট গতির শট ঠেকাতে গোলরক্ষক প্লেসিডের কিছুই করার ছিল না। ৩৬ মিনিটে ব্রাজিল ২-০ গোলে এগিয়ে গেল।
তিন মিনিট পর হালকা চোট নিয়ে মাঠ ছাড়েন রাফিনহা। তার বদলি নামেন রায়ান। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে ব্রাজিল তৃতীয় গোল করে। লুকাস পাকেতা হাইতির ডিফেন্সের ওপর দিয়ে বলটি ভাসিয়ে দেন এবং ভিনিসিয়ুস সরাসরি গোলের সুবর্ণ সুযোগ পেয়ে যান। রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা পেনাল্টি অঞ্চলের দিকে তীব্র গতিতে ছুটে গিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল জালে জড়িয়ে দেন। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার দ্বিতীয় গোল।
এম
আপনার মতামত লিখুন :