বিশ্বকাপের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত ম্যাচগুলোর একটি হতে যাচ্ছে আজ। আটলান্টায় দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। ফাইনালে ইতোমধ্যে জায়গা নিশ্চিত করেছে স্পেন। ফলে শিরোপা নির্ধারণী লড়াইয়ে কারা তাদের প্রতিপক্ষ হবে, সেটাই এখন কোটি ফুটবলভক্তের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু।
মেসি-স্ক্যালোনির আর্জেন্টিনা এবং টমাস টুখেলের ইংল্যান্ডের এই মহারণের আগে একনজরে দেখে নেওয়া যাক গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিসংখ্যান-
১. ১৪টি দেখায় ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনার কাছে মাত্র দুইবার হেরেছে। বাকি ম্যাচগুলোর মধ্যে ছয়টিতে জিতেছে এবং ছয়টি ড্র হয়েছে। তবে ১৯৯৮ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর সেই ড্রয়ের পর টাইব্রেকারে জয় পেয়েছিল আর্জেন্টিনা।
২. ইংল্যান্ডের হয়ে হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহ্যাম দুজনই করেছেন ৬টি করে গোল। বিশ্বকাপের এক আসরে একই দেশের দুই খেলোয়াড়ের ৬ বা তার বেশি গোল করার ঘটনা এবারই প্রথম।
৩. চলতি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ১৭টি গোল করেছে আর্জেন্টিনা। নিজেদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে এক আসরে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড থেকে তারা মাত্র এক গোল দূরে। আর লিওনেল মেসি করেছেন ৮টি গোল, যা তাকে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে যৌথভাবে গোল্ডেন বুটের শীর্ষে রেখেছে।
৪. ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার ২-১ গোলে জয়ের ম্যাচটি ফুটবল ইতিহাসে অমর হয়ে আছে। সেদিন ডিয়েগো ম্যারাডোনার 'হ্যান্ড অব গড' এবং 'গোল অব দ্য সেঞ্চুরি' আজও আলোচনার বিষয়।
৫. আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি দ্বিতীয়বারের মতো দলকে বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলতে চাইছেন। সফল হলে তিনি বিশ্বকাপ ইতিহাসে সপ্তম কোচ হিসেবে একাধিক ফাইনালে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করবেন। আর্জেন্টিনার হয়ে এর আগে এই কীর্তি গড়েছিলেন কার্লোস সালভাদর বিলার্দো। যিনি ১৯৮৬ ও ১৯৯০ সালে দলকে ফাইনালে তুলেছিলেন।
৬. এই ম্যাচে খেললে হ্যারি কেইনের ইংল্যান্ডের জার্সিতে ম্যাচসংখ্যা হবে ১২১। এতে তিনি দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা আউটফিল্ড ফুটবলার হবেন। তার ওপরে থাকবেন শুধু কিংবদন্তি গোলরক্ষক পিটার শিলটন, যার ম্যাচ সংখ্যা ১২৫।
৭. ইংল্যান্ডের ৬০ বছরের শিরোপাখরা কাটানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন থমাস টুখেল। তিনি সফল হলে নিজের দেশের বাইরে অন্য একটি জাতীয় দলকে বিশ্বকাপের ফাইনালে তোলা ইতিহাসের চতুর্থ কোচ হবেন। সর্বশেষ এই কীর্তি গড়েছিলেন অস্ট্রিয়ার আর্নস্ট হাপেল। ১৯৭৮ সালে নেদারল্যান্ডসকে বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলেছিলেন তিনি।
এম
আপনার মতামত লিখুন :