• ঢাকা
  • বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৮ ফাল্গুন ১৪৩০

সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে বিএমইটিতে ২৫ মার্চ রাতে আলোকসজ্জা


নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৬, ২০২৩, ০৮:০৭ পিএম
সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে বিএমইটিতে ২৫ মার্চ রাতে আলোকসজ্জা

ঢাকা: গণহত্যা দিবসের ভয়াল রাতে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে আলোকসজ্জা করেছে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)।

গণহত্যা দিবসের জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকারের সিদ্ধান্তে বলা হয়েছিল, ‘২৫ মার্চ রাতে সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবন ও স্থাপনায় কোনো আলোকসজ্জা করা যাবে না। কিন্তু সেই নির্দেশনা মানেনি বিএমইটি।

শনিবার (২৫ মার্চ) রাত ৮টায় সরেজমিনে দেখা যায়, কাকরাইলে অবস্থিত জনশক্তি রপ্তানির দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি এই প্রতিষ্ঠানের পুরো ভবনে আলো জ্বালিয়ে রাখা হয়েছে। অথচ সরকারের নির্দেশনায় কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করে বলা আছে, ‘কোনোক্রমেই ২৫ মার্চ আলোকসজ্জা করা যাবে না’।

সংশ্লিষ্টরা গণহত্যা দিবসের রাতে বিএমইটি’র এই আলোকসজ্জার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা লঙ্ঘণের অভিযোগ তুলেছেন। এ বিষয়ে বিএমইটি কর্তৃপক্ষ বা সংস্থাটির মহাপরিচালক (ডিজি) মো. শহীদুল আলম (এনডিসি) কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, সরকারের নির্দেশনা রয়েছে- ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসে রাতে কোনো আলোকসজ্জা করা যাবে না। এ সংক্রান্ত সরকারি তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে, ২৫ মার্চ রাতে সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবন ও স্থাপনাসমূহে কোনো আলোকসজ্জা করা যাবে না। তবে ২৬ মার্চ সন্ধ্যা থেকে আলোকসজ্জা করা যাবে। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসের জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সর্বসাধারণকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে বলেও তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছে।

আজ ভয়াল ২৫ মার্চ, গণহত্যা দিবস। বাঙালি জাতির জীবনে ১৯৭১ সালের এইদিন শেষে এক বিভীষিকাময় ভয়াল রাত নেমে এসেছিল। ২৫ মার্চ রাতে বিএমইটির সামনে থেকে তোলা ছবি এবং সরকারি নির্দেশনার কপি।

এদিন মধ্যরাতে বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের পূর্ব পরিকল্পিত অপারেশন সার্চ লাইটের নীলনকশা অনুযায়ী বাঙালী জাতির কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়ার ঘৃণ্য লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

এদিন সকাল সাড়ে ৯টায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে গণহত্যা দিবসের ওপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া সারাদেশে গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গীতিনাট্য এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশনের মিনিপোলগুলোতে গণহত্যার ওপর দুর্লভ আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রচার করা হয়। 

সোনালীনিউজ/এআর

Wordbridge School
Link copied!