বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আগামী ১০ মার্চ পরীক্ষামূলকভাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করছে সরকার। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ১৪টি উপজেলার একটি করে ইউনিয়নে এ কর্মসূচি শুরু হবে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, এটি আপাতত পাইলট প্রকল্প হিসেবে চালু করা হচ্ছে; পরবর্তী সময়ে এর পরিধি বাড়ানো হবে।
কারা পাবেন না এই সুবিধা?
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ‘ফ্যামিলি কার্ড নীতিমালা’ অনুযায়ী কিছু নির্দিষ্ট শ্রেণির পরিবার এই সুবিধার আওতায় থাকবেন না। নীতিমালায় মোট ছয় ধরনের পরিবারকে বাদ রাখা হয়েছে। সেগুলো হলো— পরিবারের কোনো সদস্য সরকারি পেনশনভোগী হলে, বাড়িতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) ব্যবহার করলে, ব্যক্তিগত গাড়ি বা বিলাসবহুল সম্পদের মালিক হলে, পরিবারের কেউ সরকারি চাকরিজীবী হলে, বাণিজ্যিক লাইসেন্সধারী হলে এবং বড় পরিসরের ব্যবসার মালিক হলে
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রণীত ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন-২০২৬’-এ কর্মসূচির মূল দর্শন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, “ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক।”
খুব শিগগিরই এ নীতিমালা প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে বলে জানা গেছে। আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পাইলট কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন।
সরকারের পক্ষ থেকে আশা করা হচ্ছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রকৃত উপকারভোগী পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করে সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম আরও কার্যকর করা সম্ভব হবে।
এম
আপনার মতামত লিখুন :