• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০১ মার্চ, ২০২৪, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩০

বন্যায় ভেসে আসা তিন ভারতীয়র লাশ ফেরত


পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি  অক্টোবর ৭, ২০২৩, ০৯:২৬ পিএম
বন্যায় ভেসে আসা তিন ভারতীয়র লাশ ফেরত

লালমনিরহাট : গত মঙলবার রাতে ভারতের সিকিম রাজ্যে প্রবল বৃষ্টিপাত ও চুংথাং বাঁধ ধ্বসে সৃষ্ট অস্বাভাবিক বন্যায় ওই রাজ্যের বহু বাড়িঘর ও লোকজন ভেসে যায়। এতে লালমনিরহাট জেলা হয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদী বাংলাদেশ অংশের অভ্যন্তরে বন্যার পানিতে ভেসে আসা তিন ভারতীয় নাগরিকের লাশ ফেরত দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাতে ও শনিবার বিকেলে এসব লাশ ফেরত দেওয়া হয়। 

জানা গেছে, গত ৫ অক্টোবর বিকেলে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার গজঘণ্টা ইউনিয়নের তিস্তা নদীর চর ছালাপাক নামক স্থান থেকে এক যুবকের লাশ অজ্ঞাত (২৮) উদ্ধার করে। একই দিন সন্ধ্যায় গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের চরখোদ্দা নামক তিস্তা শাখা নদী হতে এক অজ্ঞাত নারীর (৫২) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। অপরদিকে ৬ অক্টোবর লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সিন্ধুর্না ইউনিয়নের তিস্তা নদীর চর থেকে এক অজ্ঞাত পুরুষ (৫০) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের ধারণা বন্যায় এদের মৃত্যু ও লাশ ভেসে এসেছে। 


 
বিজিবি সূত্র জানায়, রংপুর ব্যাটালিয়নের (৫১ বিজিবি) পানবাড়ী সীমান্ত এলাকার প্রধান পিলার ৮১২ ও উপপিলার ১ এর শূণ্য রেখার তিনবিঘা করিডর স্থান দিয়ে দুই ভারতীয় নাগরিকের লাশ বিএসএফ এবং ভারতীয় পুলিশের নিকট হস্তান্তর হয়। এ সময় ভারতের মেখলিগঞ্জ তিনবিঘা করিডরের বিএসএফ কোম্পানীর সহকারী (অ্যাসিসট্যান্ট) কমান্ডার প্রাণভীর ও বাংলাদেশের পানবাড়ী বিজিবি কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার সলেমান আলী, ভারতের কুচলিবাড়ি থানার ওসি কাজল দাস, বাংলাদেশের পাটগ্রাম থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়ন্ত কুমার সাহা উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে রংপুর তিস্তা ব্যাটালিয়নের (৬১ বিজিবি) সীমান্ত এলাকার বুড়িমারী স্থলবন্দর ও ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা শূণ্য রেখা দিয়ে শনিবার (০৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭ টা ২০ মিনিটে ভারতীয় নাগরিক অজ্ঞাত পুরুষের (৫০) লাশ হস্তান্তর করা হয়। ৬ অক্টোবর হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা নদীর চর থেকে এ লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় ভারতের মেখলিগঞ্জ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুনীল সামান্ত, চ্যাংড়াবান্ধা বিএসএফ কোম্পানী কমান্ডার বার্টু লাল মিনা, মেখলিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাহুল তালুকদার ও বাংলাদেশের বুড়িমারী বিজিবি কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার হাফিজুর রহমান, হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহা আলম, পাটগ্রাম থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়ন্ত কুমার সাহা উপস্থিত ছিলেন।

পানবাড়ী বিজিবি কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার সলেমান আলী বলেন, ‘বন্যায় তিস্তা নদী হয়ে এসব ভারতীয় লাশ ভেসে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চলে আসে। ভারতের বিএসএফের পক্ষ থেকে আমাদেরকে চিঠি দিয়ে জানানো হয় লাশ গুলো ভারতীয় নাগরিক। তাঁরা লাশ ফেরত দেওয়ার অনুরোধ করে। তবে, লাশের পরিচয় সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। নিয়ম মেনে লাশ গুলো ভারতীয় কর্তৃপক্ষের নিকট ফেরত দেওয়া হয়।‘

এমটিআই

Wordbridge School
Link copied!