• ঢাকা
  • শনিবার, ০২ মার্চ, ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০

সংসদ নির্বাচনে জামাই-শশুরের লড়াই দেখার অপেক্ষায় এলাকাবাসী


সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি ডিসেম্বর ২, ২০২৩, ০৩:৪৪ পিএম
সংসদ নির্বাচনে জামাই-শশুরের লড়াই দেখার অপেক্ষায় এলাকাবাসী

সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনে সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জামাই-শ্বশুরের লড়াই দেখার অপেক্ষায় এলাকাবাসী। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের পদ ছেড়েছেন শ্বশুর আব্দুল লতিফ বিশ্বাস। পাশাপাশি মেয়ের জামাই নুরুল ইসলাম সাজেদুলও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। দুজনই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। 

সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে জামাই-শ্বশুর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় নানা আলোচনা চলছে। তাঁদের মধ্যে সর্বপ্রথম নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন জামাই নুরুল ইসলাম সাজেদুল। তিনি দীর্ঘদিন হলো নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ জন্য তিনি বেলকুচি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেন। 

আর শ্বশুর আব্দুল লতিফ বিশ্বাস আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেন। দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে তিনি স্বতন্ত্র নির্বাচন করার ঘোষণা দেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র তুলে জমা দেন। তিনি সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী। 

এই আসনে জামাই-শ্বশুরের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। জামাই নুরুল ইসলাম সাজেদুল বেলকুচি ডিগ্রি কলেজের ছাত্র সংসদের ভিপি হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়লাভ করেন। 

আব্দুল লতিফ বিশ্বাস ইউনিয়ন পরিষদ, বেলকুচি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আব্দুল লতিফ বিশ্বাস এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। 

এ বিষয়ে নুরুল ইসলাম সাজেদুল বলেন, ‘দলের নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আমি সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি। এ ছাড়া আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছি। আশা করি, এমপি হিসেবে আমি বিজয়ী হব।’ 

আব্দুল লতিফ বিশ্বাস বলেন, ‘আমি দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলাম, কিন্তু আমাকে দেওয়া হয়নি। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা আমাকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে চাপ দিচ্ছেন। তাঁরা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাই আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি।’ 

জামাই-শ্বশুর একই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বেলকুচি-চৌহালীর ভোটার ও এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে। 

সোনালীনিউজ/এল/এসআই

Wordbridge School
Link copied!