• ঢাকা
  • সোমবার, ১৭ জুন, ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১

প্রবাসীর স্বর্ণালংকার ছিনতাই, এসআই আমিনুল ও সোর্স রিমান্ডে


চট্টগ্রাম প্রতিবেদক মে ২০, ২০২৪, ০৯:২৭ পিএম
প্রবাসীর স্বর্ণালংকার ছিনতাই, এসআই আমিনুল ও সোর্স রিমান্ডে

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামে ফিল্মি স্টাইলে প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাইয়ের ঘটনায় খুলশি থানার এসআই আমিনুল ইসলামসহ দুইজনকে একদিনের পুলিশি রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। অপরজন হচ্ছেন পুলিশের সোর্স শহিদুল ইসলাম জাহেদ।

সোমবার (২০ মে) বিকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শরিফুল ইসলাম এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও খুলশি থানার এসআই সুমিত বড়ুয়া।

আদালত সূত্র জানায়, ১৬ ভরি স্বর্ণ ছিনতাইয়ের মামলায় গ্রেফতার এসআই আমিনুল ইসলাম ও তার সহযোগী শহীদুল ইসলাম জাহেদকে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শরিফুল ইসলামের আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুইজনের বিরুদ্ধে ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে আদালতে রিমান্ড শুনানি শুরু হয়। আসামিপক্ষ রিমান্ডের বিরোধিতা করেন। রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন। পরে শুনানি শেষে আদালত দুইজনের বিরুদ্ধে ১ দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও খুলশি থানার এসআই সুমিত বড়ুয়া জানান, প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাইয়ের মামলায় আদালত দুই আসামির ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১২ মে লোহাগাড়া উপজেলার বাসিন্দা আবদুল খালেক সৌদি আরব থেকে দেশে বেড়াতে আসেন। তবে প্রবাসে রেখে আসেন ৮টি হাতের স্বর্ণের চুড়ি। রোববার এক পরিচিত লোকের মাধ্যমে শাহ আমানত বিমানবন্দর দিয়ে দেশে আনা হয়। বিমানবন্দরে গিয়ে এসব চুড়ি গ্রহণ করে ৬ নম্বর রুটের বাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন।

বিকাল ৪টার দিকে নগরের টাইগারপাস এলাকায় পৌঁছলে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে খুলশি থানার এসআই আমিনুল তাকে বাস থেকে নামিয়ে নেয়। পরে একটি সিএনজি অটোরিকশায় তুলেন আমিনুল। এ সময় তার সঙ্গে আরও দুজন লোক ছিল। পরে তাকে আক্তারুজ্জামান ফ্লাইওভারে নিয়ে গিয়ে তার কাছে থাকা স্বর্ণালংকার অবৈধ বলে কাগজপত্র দেখতে চান। একপর্যায়ে ৮টি স্বর্ণের চুড়ি কেড়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তখন খালেক তাকে জাপটে ধরেন।

পরে স্থানীয় লোকজন এবং টহল পুলিশের সহায়তায় এসআই আমিনুল এবং সোর্স জাহেদকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় রোববার রাতেই ভুক্তভোগী আবদুল খালেক বাদী হয়ে খুলশি থানার এসআই আমিনুল ইসলামসহ তিনজনকে আসামি করে একটি ছিনতাই মামলা দায়ের করেন।

গ্রেফতার এসআই আমিনুল ইসলামের বাড়ি চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায়। তিনি পুলিশে যোগ দেন ২০১২ সালে। গ্রেফতার পুলিশের সোর্স জাহিদ নগরের বাকলিয়া থানার রাহাত্তারপুল এলাকার কেবি আমান আলী সড়কের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

এমএস

Wordbridge School
Link copied!