• ঢাকা
  • বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

আইপিও ও ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ


নিজস্ব প্রতিবেদক সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬, ০১:৩৭ পিএম
আইপিও ও ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ

ফাইল ছবি

পুঁজিবাজারে নতুন ও ভালো কোম্পানির অংশগ্রহণ বাড়াতে আইপিও এবং ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের মাধ্যমে কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তির সুযোগ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিএসইসি জানিয়েছে, বিদ্যমান ‘Bangladesh Securities and Exchange Commission (Public Offer of Equity Securities) Rules, 2025’ অনুযায়ী আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসার সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে যেসব কোম্পানি আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে আগ্রহী, তাদের কোনো কোম্পানি বিধিমালার ভবিষ্যৎ সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের কারণে আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিত বা বিলম্বিত করার প্রয়োজন নেই।

পরবর্তীতে আইপিও-সংক্রান্ত বিধিমালায় কোনো সংশোধন, পরিবর্তন বা শিথিলতা আনা হলে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বর্তমানে আবেদনকারী কোম্পানিগুলোকে ওই সংশোধন, পরিবর্তন বা শিথিলতার আওতায় প্রয়োজনীয় সুবিধা দেওয়া হবে।

অন্যদিকে, যেসব প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণ বা পরিচালনার জন্য নতুন মূলধন সংগ্রহের প্রয়োজন নেই, কিন্তু বিদ্যমান শেয়ারধারীদের শেয়ার অফলোডের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার আগ্রহ রয়েছে, তাদের জন্য ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বিএসইসি জানিয়েছে, ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের মাধ্যমে কোম্পানি নিজে নতুন শেয়ার ইস্যু না করেও বিদ্যমান শেয়ারধারীদের কাছ থেকে শেয়ার অফলোডের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারবে।

এ লক্ষ্যে বিএসইসি ইতোমধ্যে ‘Bangladesh Securities and Exchange Commission (Direct Listing of Securities on the Stock Exchange) Rules, 2026’-এর খসড়া প্রণয়ন করেছে এবং জনমত আহ্বানের জন্য তা প্রকাশ করেছে।

প্রস্তাবিত বিধিমালা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট যোগ্যতার অধিকারী কোম্পানি ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের জন্য আবেদন করতে পারবে। বিএসইসির মতে, ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের প্রস্তাবিত কাঠামোর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে নতুন ও সক্ষম কোম্পানির অংশগ্রহণ বাড়বে। একই সঙ্গে বিদ্যমান শেয়ারধারীদের শেয়ার অফলোডের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং পুঁজিবাজারের গভীরতা ও পরিধি সম্প্রসারিত হবে।

কমিশনের মতে, যেসব কোম্পানির নতুন মূলধনের প্রয়োজন রয়েছে, তারা আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসতে পারে। আর যেসব প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির নতুন মূলধনের প্রয়োজন নেই, কিন্তু বিদ্যমান শেয়ার অফলোডের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত হতে আগ্রহী, তাদের জন্য ডাইরেক্ট লিস্টিং একটি সম্ভাব্য বিকল্প হতে পারে।

বিএসইসি বলেছে, ভালো ও সক্ষম কোম্পানির অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে দেশের পুঁজিবাজারকে আরও গভীর, বৈচিত্র্যময়, স্বচ্ছ ও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় নীতি ও নিয়ন্ত্রক সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এসএইচ 

Link copied!