ছবি: প্রতিনিধি
পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা গ্রামে দাঁড়িপাল্লার নির্বাচন করায় জামায়াত সমর্থকদের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগপন্থী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খানের বিরুদ্ধে।
শনিবার বিকেলে ভুক্তভোগী জাহিদ হাসান মুসা পাবনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খান ও তার সহযোগী আলমের নেতৃত্বে একদল বাহিনী জাহিদ হাসান মুসার বাড়িতে হামলা চালিয়ে টিভি, ফ্রিজ, আলমারী, মোটরসাইকেলসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর এবং আনুমানিক ৮ লাখ টাকার মাছ ও ৫৫ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার লুটপাট করেছে। এছাড়া গোয়ালে থাকা গরু লুটপাটের চেষ্টা করা হয়।
পার্শ্ববর্তী ইয়াসিন আলীর বাড়িতেও একই বাহিনী হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে। স্থানীয়রা সন্ত্রাসের ভয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। ভুক্তভোগী জাহিদ হাসান মুসা দাবি করেছেন, চেয়ারম্যানকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক।
অভিযুক্ত সুলতান মাহমুদ খান বলেন, তিনি ধানের শীষের রাজনীতি করেননি এবং তাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হচ্ছে।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুলাল হোসেন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসএইচ
আপনার মতামত লিখুন :