ছবি: প্রতীকী
চট্টগ্রাম মহানগরীর ধনিয়ালাপাড়ার লাকী ম্যানশন এলাকা এবং জেলার রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকায় পৃথক দুটি ঘটনায় সেপটিক ট্যাংকে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
রাউজানের নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ঝিকুটিপাড়ায় রতন ডাক্তারের নির্মাণাধীন বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে মারা যান দুই নির্মাণশ্রমিক। নিহতরা হলেন-রাউজান উপজেলার কচুখাইন এলাকার প্রদীপ দাশ এবং বোয়ালখালীর কদুরখিল এলাকার সমীরণ দাশ। এর মধ্যে প্রদীপ দাশ বাড়ির মালিক রতন ডাক্তারের জামাতা।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রদীপ দাশ সেপটিক ট্যাংকে নামার পর দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ট্যাংকে জমে থাকা গ্যাসে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে উদ্ধার করতে নামা সমীরণও গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে রাউজান উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকা সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিহত প্রদীপ দাশের মরদেহ হাসপাতাল থেকে তাঁর শ্বশুরবাড়ি ঝিকুটিপাড়ায় নেওয়া হলে সেখানে স্বজনদের আহাজারিতে এক শোকার্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
এদিকে একই দিন দুপুর ২টায় চট্টগ্রাম মহানগরীর ডবলমুরিং থানার দেওয়ানহাট ধনিয়ালাপাড়ার লাকী ম্যানশন এলাকায় সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কার করতে গিয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়। তাঁদের একজনের নাম সাকিব এবং অন্যজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি বলে জানিয়েছেন ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনুর আলম। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে থানা পুলিশের একটি দল রয়েছে। তারা ফিরলে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
এসএইচ
আপনার মতামত লিখুন :