ফাইল ছবি
ঢাকা: রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি যমুনা অয়েল লিমিটেডের সাম্প্রতিক আর্থিক প্রতিবেদনে অনাদায়ী পাওনাকে কোনো প্রভিশন ছাড়াই নিট মুনাফার অংশ হিসেবে দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের প্রতিবেদনের ওপর নিরীক্ষকের কঠোর মন্তব্য এসেছে।
নিরীক্ষকের তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড থেকে ১৩.৪৫ কোটি, বিসিআইসি থেকে ৫ কোটি এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন থেকে ৫৭.৭ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। মোট অনাদায়ী প্রাপ্য প্রায় ১৯ কোটি টাকা, যার অধিকাংশ ১০ বছরের বেশি সময় ধরে আদায় হয়নি। আইএফআরএস-৯ অনুযায়ী এই ধরনের বকেয়া পাওনার জন্য প্রভিশন রাখা বাধ্যতামূলক। কিন্তু যমুনা অয়েল তা করেনি।
জানতে চাইলে কোম্পানির সেক্রেটারি মাসুদুল ইসলাম বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে পাওনা হওয়ায় এগুলো আদায়যোগ্য হিসেবে দেখানো হয়েছে।
এদিকে বিতর্কিত প্রতিবেদনের মধ্যেই কোম্পানি ধারাবাহিক উচ্চ লভ্যাংশ ঘোষণা করে আসছে। ২০২৪-২৫ হিসাববছরে ১৮০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ, ইপিএস ৫৮.৭০ টাকা। এর আগের বছরে ১৫০ শতাংশ লভ্যাংশ দেওয়া হয়েছিল।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড একচ্ঞ্জে কমিশন জানিয়েছে, নিরীক্ষকের মতামতের ভিত্তিতে কোম্পানি ও নিরীক্ষকের ব্যাখ্যা তলব করা হবে। পর্যালোচনার পরে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
পিএস
আপনার মতামত লিখুন :