ফাইল ছবি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে ঐতিহাসিক রাজশাহী কলেজ প্রাঙ্গণে। ছাত্রদল নেত্রী প্রীতি চৌধুরীকে নিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস প্রিয়ার মন্তব্যের পর রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা।
ঘটনার সূত্রপাত ঘটে মহানগর ছাত্রলীগের নিষিদ্ধ কমিটির পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস প্রিযার একটি পোস্ট থেকে। সেখানে তিনি ছাত্রদল নেত্রী প্রীতি চৌধুরীর রাজনৈতিক অতীত ও অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের সঙ্গে অতীত সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তাকে সুযোগসন্ধানী বলেও আখ্যা দেন প্রিয়া।
তবে বসে থাকেননি ছাত্রদল নেত্রী প্রীতি চৌধুরীও। ফেসবুকে পাল্টা জবাব দিয়ে তিনি অতীত রাজনৈতিক ভূমিকার ব্যাখ্যা দেন এবং ব্যক্তিগত বিষয়কে রাজনীতির সঙ্গে না মেলানোর আহ্বান জানান। একই সাথে সাইবার বুলিং ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন।
ঘটনার পরপরই প্রীতির সমর্থনে সোচ্চার হয়ে ওঠেন রাজশাহী কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রাশিকুজ্জামান প্রীতম জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রীতি চৌধুরী রাজপথে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। আন্দোলনকারী হিসেবে তাঁর ভূমিকা ক্যাম্পাসে সর্বজনবিদিত। ভয়ভীতি বা সাইবার বুলিংয়ের মাধ্যমে কোনো প্রতিবাদী কণ্ঠ স্তব্ধ করা যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সাধারণ শিক্ষার্থীরাও প্রীতির সমর্থনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। তাদের মতে, মতপার্থক্য থাকতে পারে কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ ও চরিত্রহননের রাজনীতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ফেসবুকের এই বাকযুদ্ধ রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক কর্মীদের মধ্যে রাজনৈতিক শিষ্টাচার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহারের সীমা নিয়ে নতুন করে ভাবিয়ে তুলেছে।
এসএইচ