• ঢাকা
  • রবিবার, ১৬ জুন, ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১

ঈদে ফেরিতে উঠবে না ট্রাক-কাভার্ডভ্যান, লঞ্চে যাবে মোটরসাইকেল


নিজস্ব প্রতিবেদক মে ৩১, ২০২৩, ০৪:২০ পিএম
ঈদে ফেরিতে উঠবে না ট্রাক-কাভার্ডভ্যান, লঞ্চে যাবে মোটরসাইকেল

ফাইল ছবি

ঢাকা: আসন্ন ঈদুল আজহায় যাত্রী ও পণ্য পরিবহন নিরাপদ রাখতে ঈদের আগের ৩ দিন ও পরের ৩ দিনসহ মোট ৭ দিন ফেরিতে সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান পারাপার বন্ধ থাকবে। তবে, নিত্যপ্রয়োজনীয়, দ্রুত পচনশীল পণ্য ও পশুবাহী ট্রাক এর আওতামুক্ত থাকবে।  এছাড়া বরিশাল অঞ্চলের লঞ্চ যাত্রায় মোটরসাইকেল উঠানো যাবে। 

বুধবার (৩১ মে) দুপুরে সচিবালয়ে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদুল আজহায় সুষ্ঠুভাবে নৌ-যান চলাচল এবং যাত্রী নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঈদ ব্যবস্থাপনা কমিটির বৈঠক শেষে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঈদের আগের তিনদিন, ঈদের দিন ও ঈদের পরের তিনদিন পচনশীল পণ্য এবং কোরবানির পশু পারাপার অব্যাহত থাকবে। বাকি সবকিছু বন্ধ থাকবে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিআইডব্লিউটিএ, বিআইডব্লিউটিসির সার্বক্ষণিক নজরদারি থাকবে।

তিনি বলেন, নৌ-পথ দিয়ে যেসব কোরবানির পশু আসে, অনেক সময় দেখা যায় সেগুলো যে হাটে উঠানোর কথা ছিল, সেখানে না তুলে আরেক হাটে নিয়ে যাওয়া হয়। আবার টাকা-পয়সার বিষয়ও থাকে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলেছে, ব্যাংকিং চ্যানেলে যেন টাকা লেনদেন করা হয়। জাল টাকার ক্ষেত্রেও তারা মেশিন বসানোর ব্যবস্থা করবেন। সবকিছু মিলিয়ে ভালো আলোচনা হয়েছে।

এবার নৌ-পথে কী পরিমাণ যাত্রী হবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, গতবছর আমরা মনে করেছিলাম সদরঘাট খুব স্বাভাবিক থাকবে। কিন্তু ঈদের তিন-চারদিন বাকি থাকতেই আগের মতো যাত্রী হয়েছে। পদ্মা সেতু হওয়ার পরও বরিশালে ৪০টি লঞ্চঘাট আছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ডিসি। তারা নৌ-পথে যাতায়াত করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এখানে লাখ লাখ মানুষ, এটি সংখ্যায় নিরূপণ করা কঠিন।  

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বিজিএমইএ, বিকেএমইএ-কে বলেছি তাদের ছুটিটা যেন ধারাবাহিকভাবে হয়। একসঙ্গে ছুটি দিলে ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে। তারাও আমাদের সঙ্গে একমত। তারা বলেছে, ধারাবাহিকভাবে ছুটির ব্যবস্থা করবে।

পদ্মা সেতু দিয়ে মোটরসাইকেল পারাপার উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে খালিদ মাহমুদ বলেন, সেজন্য শিমুলিয়া রুটে মোটরসাইকেল পারাপারের কোনো ব্যবস্থা থাকছে না। যত যাত্রী হোক না কেন, আমাদের সামাল দিতেই হবে। আমরা জানি এটা ধারণক্ষমতার বাইরে চলে যাবে। তারপরও আমরা মানসিকভাবে প্রস্তুত আছি।

আসন্ন ঈদুল আজহায় লঞ্চে মোটরসাইকেল পারাপারে কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকছে না জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনেকেই লঞ্চে মোটরসাইকেল নিয়ে পরিবারসহ বাড়ি যায়। আমরা বিআইডব্লিউটিএকে বলেছি, বিষয়টি যতটুকু পারা যায়, এডজাস্ট করতে। লঞ্চে মোটরসাইকেল পারাপারের বিষয়টি আমরা লঞ্চ মালিকদেরও বলেছি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আপনি যদি একা বরিশাল, মাদারীপুর বা দক্ষিণাঞ্চলে যান, নিশ্চিত মোটরসাইকেল চালিয়ে যাবেন। আপনার সঙ্গে যদি পাঁচজন থাকে, সবাইকে তো মোটরসাইকেলে তুলতে পারবেন না। সেখানে যদি মোটরসাইকেল নিতে চান, তাহলে বিকল্প ব্যবস্থায় নিতে হবে। হয়তো বাসের ছাদে অথবা লঞ্চে করে নিতে হবে। সে বিষয়টি আমরা এডজাস্ট করব।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, লঞ্চে মোটরসাইকেল পারাপারের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে। তবে নৌপথে ভাড়া আগের মতোই থাকবে। ভাড়ার বিষয়ে কোনো উঠানামা নেই।

সোনালীনিউজ/আইএ

Wordbridge School
Link copied!