• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

পুরোনো ঋণ ও সুদ পরিশোধে দ্বিগুণ অর্থ ব্যয় 


নিজস্ব প্রতিবেদক অক্টোবর ২৭, ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম
পুরোনো ঋণ ও সুদ পরিশোধে দ্বিগুণ অর্থ ব্যয় 

ফাইল ছবি

বিদেশি সহায়তার তুলনায় দ্বিগুণ অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে পুরোনো ঋণ ও সুদ পরিশোধে। একদিকে কমছে সহায়তার অর্থছাড়, অন্যদিকে বাড়ছে ঋণের কিস্তি মেটানোর চাপ। নতুন প্রতিশ্রুতির অঙ্ক কাগজে-কলমে বাড়লেও প্রধান দাতাগোষ্ঠীর কাছ থেকে বড় কোনো অর্থায়ন না আসায় স্বস্তি মিলছে না।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) হালনাগাদ প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ বিদেশি সহায়তা পেয়েছে ৬৬ কোটি ২৩ লাখ ডলার। অথচ আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ১১৪ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে অর্থছাড় কমেছে ৪২ শতাংশের বেশি। এর বিপরীতে এই তিন মাসে বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ বাবদ পরিশোধ করতে হয়েছে ১৩৫ কোটি ১২ লাখ ডলার।

আলোচ্য সময়ে নতুন প্রতিশ্রুতির পরিমাণ ১২৭ কোটি ৩০ লাখ ডলার হলেও এর প্রায় পুরোটাই এসেছে ‘অন্যান্য’ উৎস থেকে। বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), ভারত, চীন ও রাশিয়ার মতো ছয় প্রধান দাতা বা গোষ্ঠীর কাছ থেকে এই তিন মাসে নতুন কোনো সহায়তার প্রতিশ্রুতি আসেনি। তবে জাপান সামান্য সহায়তা দিয়েছে। মূলত প্রকল্প সহায়তার ঋণ ছাড় কমে যাওয়ায় সার্বিক অর্থছাড়ে এই বড় পতন ঘটেছে।

এদিকে সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নেও স্থবিরতা কাটছে না। আইএমইডির তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন অগ্রগতি মাত্র ৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ। ১৪টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ তাদের প্রকল্পের বিপরীতে পাওয়া বৈদেশিক সহায়তার এক টাকাও খরচ করতে পারেনি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রতিশ্রুতি বাড়লেও তা দ্রুত ছাড়ের ব্যবস্থা করা এবং ঋণের অর্থ কার্যকরভাবে ব্যবহার করা জরুরি। অন্যথায় বৈদেশিক সহায়তার এই খরা এবং ঋণ পরিশোধের ক্রমবর্ধমান চাপ অর্থনীতির সংকট আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

এসএইচ 

Link copied!