• ঢাকা
  • সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৯

ভেড়ামারার ঘরে ঘরে পিঠা ভোজ


রাকিবুল ইসলাম, কুষ্টিয়া জানুয়ারি ২৩, ২০২৩, ১০:৫২ এএম
ভেড়ামারার ঘরে ঘরে পিঠা ভোজ

কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়া ভেড়ামারা উপজেলায় বিকেল থেকে সকাল পর্যন্ত মাগের প্রচন্ড শীত। সকালে রোদে বসে পরিবার নিয়ে পিঠা খাচ্ছিলেন ভেড়ামারা পৌরসভা ৮ নং ওয়ার্ড বাসিন্দা নাজিম উদ্দিন। তিনি বলেন পৌষ সংক্রান্তিতে নতুন ধানের চালের গুড়ায় পাটিসাপটা পিঠা, চিতই পিঠা, দুধ পুলি পিঠা তৈরি করা হয়েছে। এভাবে ঘরে ঘরে পিঠা তৈরির উৎসব। এ পিঠা উৎসবে সবাই মিলে আনন্দ উপভোগ করেছি। 

ভেড়ামারা প্রেসক্লাবের সভাপতি ডাক্তার আব্দুল মান্নান বলেন, পৌষের শীতে দুধ চিতই পিঠা, দুধপুলি পিঠা, ভাপা পিঠা, নকশী পিঠা, পাটিসাপটে পিঠা, পাকোয়ান পিঠা খেতে স্বাদই আলাদা। এ সংক্রান্তিতে ভেড়ামারার ঘরে ঘরে পিঠার আয়োজন হয়েছে। আত্মীয়রা এসে পিঠা উৎসবে যোগদান করে আনন্দ ভাগাভাগি করেন। 

তিনি আরও বলেন অগ্রহায়ন-পৌষ আসে ঘরে ঘরে উপহারের ডালি নিয়ে সংগোপনে দিয়ে যায় সোনালী সম্ভার। রূপসী বাংলার ঘরে ঘরে বয়ে যায় আনন্দের প্লাবন। বাঙালির ঐতিহ্যবাহী খাদ্য তালিকায় এক অনন্য উপাদান পিঠা। যা বাঙালির লোক ইতিহাস ঐতিহ্য পিঠাপুলির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে আবহমান কাল ধরে। এসব বাংলার লোকজ ও নান্দনিক সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ। বাংলা সাহিত্য ও ঐতিহ্য প্রেমীদের লেখালেখিতেও পিঠার উল্লেখ রয়েছে। 

নুরজাহান হাসান সুমি বলেন, পৌষ মানে আনন্দ, শীত মানে পিঠার উৎসব। পিঠা খেতে কি যে স্বাদ? মন ভরে গেছে। ঋতু বৈচিত্রের দেশ বাংলাদেশের নবান্নের মনোরম উৎসব অন্যতম। শীতকাল যা গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য পিঠার সাথে মিশে আছে। আমাদের লোকজ সংস্কৃতি সঙ্গে নবান্নের পরিচয় আবহমানকালের এবং গ্রামে সবাই নবান্ন কে স্বাগত জানাই। রসের আর ক্ষীর পিঠা তৈরি করা হবে নবান্নের উৎসবে। বাংলার পিঠা একটি মুখরোচক উপাদেয় খাদ্যদ্রব্য যা তৈরীর প্রধান উপাদান হলো চালের গুড়া।

সোনালীনিউজ/আরআই/এসআই
 

Wordbridge School