ফাইল ছবি
ঢাকা: ঝিমিয়ে পড়েছে জাতীয় বীমা দিবস উদযাপন। আজ ১ মার্চ এই দিনে নানান আয়োজনে উদযাপন হতো বীমা দিবস। ২০২০ সাল থেকে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বীমা শিল্পের উন্নয়ন ও বীমা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিবসটির গোড়াপত্তন। প্রতি বছর ১ মার্চ জাতীয় বীমা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনে দেশের সকল বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নানান কর্মসূচি গ্রহণ করে সরকার।
বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)’র পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি বীমা প্রতিষ্ঠানগুলো নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকে। তবে এ বছর জাতীয় বীমা দিবস উদযাপনে বীমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ নেয়নি কোন উদ্যোগ। সরকারি ও বেসরকারিভাবে কোন কর্মসূচি আয়োজন করা হয়নি।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি) থেকে এ বছর কোন নির্দেশনা না আসায় আইডিআরএ থেকে দিবসটি উদযাপনে কোন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়নি বলে জানান সংস্থাটির পরামর্শক (মিডিয়া এবং যোগাযোগ) ও মুখপাত্র সাইফুন্নাহার সুমি।
শুরুতে দিবসটি 'খ' শ্রেণীতে পালনের জন্য অনুমোদন দেয় হয়। ২০২১ সালের ১ মার্চ জাতীয় বীমা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘জাতীয় বীমা দিবস’কে ‘ক’ শ্রেণীর দিবস হিসেবে ঘোষণার দাবি ওঠে। পরবর্তীতে ২০২২ সালের ২ জানুয়ারি দিবসটিকে ‘ক’ শ্রেণীতে উন্নীতকরণের আবেদন জানায় বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) ।
২০২২ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সভায় জাতীয় বীমা দিবসকে ‘খ’ শ্রেণী থেকে ‘ক’ শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়। এরপর ১০ অক্টোবর মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে দিবসটিকে ‘ক’ শ্রেণীভুক্ত করার প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়।
২০২৩ সালের ১৩ অক্টোবর পরিপত্র জারি করে বিষয়টি যথাযথ পরিপালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা।
একইসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১৫ জানুয়ারি ২০২০ তারিখের বীমা দিবস সংক্রান্ত পরিপত্রটি বাতিল ঘোষণা করা হয়।
প্রতি বছর বিভিন্ন প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নানা আয়োজনে ‘জাতীয় বীমা দিবস’ উদযাপনের উদ্যোগ নেয় সরকার। রাজধানীর চীন-মৈত্রি আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজন করা হয় দিবসটির মূল অনুষ্ঠান। সাধারণত সরকার প্রধান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দেশব্যাপী দিবসটির কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
রাজধানীসহ দেশের বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ব্যাপক প্রচারণার জন্য বীমা কোম্পানি বা করপোরেশনের শাখা কার্যালয়গুলোকে ব্যানার, ফেস্টুন বা নিজস্ব উদ্ভাবনী ধারণা দিয়ে যথাযথভাবে সজ্জিত করা হচ্ছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে ১ মার্চ দেশের জেলা-উপজেলা পর্যায়ে আলোচনা সভা, র্যালি আয়োজন করা হয়।
এএইচ/পিএস
আপনার মতামত লিখুন :