ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ. এম. এম. নাসির উদ্দিন বলেছেন, ‘জাতীয় নির্বাচন আমরা যেভাবে সুন্দরভাবে করেছি, একইভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনও একটি গ্রহণযোগ্য মাপকাঠিতে করতে চাই। এ বিষয়ে আমরা পুলিশের সহায়তা চেয়েছি এবং আইজিপি আমাকে কথা দিয়েছেন, একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে তারা যথাযথভাবে কাজ করবেন।’
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে ‘নির্বাচনি দায়িত্ব পেশাদারিত্বের সাথে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ’ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমরা সিসি ক্যামেরা, বডি ওর্ন ক্যামেরা থেকে শুরু করে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। নির্বাচনের সময় মাঠের পরিস্থিতি রিয়েল-টাইম ডিজিটাল মনিটরিং করা হবে, যাতে কোথাও কোনো সমস্যা হলে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিতে পারি।’
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ও সময়কাল নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অতীতে সারাদেশের স্থানীয় নির্বাচন সম্পন্ন করতে ১০ মাস থেকে এক বছর সময় লাগতো। এবার ইউনিয়ন পরিষদ ছাড়া বাকি সব ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তাই সবগুলো নির্বাচন ধাপে ধাপে করতে হবে। তবে কমিশন এই সময় আরও কমিয়ে আনার চেষ্টা করবে। সার্বিক প্রস্তুতি শেষে খুব শিগগিরই উপযুক্ত সময়ে তফসিল ঘোষণা করা হবে।
সিইসি এ. এম. এম. নাসির উদ্দিন বলেন, অতীতে নির্বাচন কমিশনের ওপর মানুষের যে আস্থা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল, তা আমরা ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে অনেকাংশে পুনরুদ্ধার করতে পেরেছি। শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, আমাদের সিভিল প্রশাসন এবং পুলিশসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপরও মানুষের যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেটিও বর্তমানে দূর হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে হবে না। তফসিল ঘোষণার পর বিদ্যমান আইন অনুযায়ী যারা যোগ্য বিবেচিত হবেন, কেবল তারাই মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। আর আইনি বাধা থাকলে কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
পিএস







































