• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

জামায়াতকে ছাড় দিতে নারাজ এনসিপি, হঠাৎ কৌশলগত সিদ্ধান্ত


নিজস্ব প্রতিবেদক সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬, ০৫:০৯ পিএম
জামায়াতকে ছাড় দিতে নারাজ এনসিপি, হঠাৎ কৌশলগত সিদ্ধান্ত

ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন কেন্দ্র করে রাজধানীর রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ তোড়জোড় শুরু হয়েছে। জোটে থাকার পাশাপাশি স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে নিজেদের স্বতন্ত্র শক্তি প্রদর্শনে এবার নতুন করে কৌশলের বার্তা দিচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

নির্বাচনী মাঠের হিসাব-নিকাশে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এনেছে এনসিপি। পূর্বঘোষিত পরিকল্পনায় রদবদল ঘটিয়ে ঢাকায় দলটির শীর্ষ দুই মুখকে সামনে আনার তোড়জোড় চলছে। পরিবর্তিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটিতে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে প্রাক-মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় নির্বাচন করতে পারেন-এমন আলোচনাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন আব্দুল কাদের।

প্রার্থী পরিবর্তনের এই প্রশাসনিক প্রক্রিয়া হিসেবে সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ফরম-১৩-এর মাধ্যমে দুজনই নিজেদের ভোটার এলাকা স্থানান্তর করেছেন। আগের উত্তরা এলাকা ছেড়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটির ২১ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হয়েছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। অন্যদিকে, ধানমন্ডি এলাকা পরিবর্তন করে ঢাকা উত্তর সিটির ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের (আফতাবনগর) ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়েছেন আসিফ মাহমুদ।

এনসিপির এই অবস্থানের পটভূমিতে রয়েছে ১১ দলীয় জোটের মধ্যকার সমীকরণ। ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও ডাকসুর সাবেক ভিপি সাদিক কায়েমকে প্রারম্ভিক প্রার্থী হিসেবে পছন্দ করেছে জামায়াতে ইসলামী। আর ঢাকা উত্তরে প্রার্থী হিসেবে ভাবা হচ্ছে দলটির মহানগর আমির সেলিম উদ্দিনকে। দক্ষিণ সিটিতে শরিক দলের জন্য ছাড় পাওয়ার ক্ষেত্র তৈরি না হওয়ায় এনসিপির পক্ষ থেকে প্রার্থী তালিকায় বড় ধরণের রদবদলের এই পরিকল্পনা সামনে আসে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জোটের রাজনৈতিক সম্পর্কের মধ্যেও এমন একক কৌশলী পদক্ষেপে ভোটের ময়দানে স্বতন্ত্র সমীকরণ তৈরি হবে। তরুণদের সমর্থন এবং স্থানীয় ভোটার মেরুকরণ শেষ পর্যন্ত সিটি নির্বাচনের ফলাফলে কী প্রভাব ফেলে, তা সময়ই বলে দেবে।

এসএইচ 

Link copied!