• ঢাকা
  • সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

বিএনপির অঙ্গসংগঠনে নতুন নেতৃত্ব, কার ভাগ্যে কোন পদ?


নিজস্ব প্রতিবেদক সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬, ০১:৪৭ পিএম
বিএনপির অঙ্গসংগঠনে নতুন নেতৃত্ব, কার ভাগ্যে কোন পদ?

ফাইল ছবি

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পরপর সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার কথা। কিন্তু বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মূল শক্তি হিসেবে পরিচিত অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোতে নিয়মের সেই চর্চা আজ বহু দূর। 

প্রধান যুব শাখা যুবদল ছাড়া দলটির ১১টি সহযোগী সংগঠনের মধ্যে ১০টির কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদী মেয়াদ ফুরিয়েছে অনেক আগেই। কোথাও তিন বছর, কোথাও পাঁচ বছর, আবার কোথাও এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বহাল রয়েছে পুরোনো নেতৃত্ব। নতুন কমিটি গঠনের আভাস মিললেও দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ না থাকায় পদপ্রত্যাশী নেতাকর্মীদের অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে।

দলের কেন্দ্রীয় হাইকমান্ড এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশনায় পুনর্গঠনের হাওয়া উঠলেও গতি ফিরছে না কার্যক্রমে। অতি সম্প্রতি শীর্ষ পর্যায় থেকে ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বর্তমান শীর্ষ নেতৃত্বকে অনানুষ্ঠানিকভাবে বিদায়ের সংকেত দেওয়া হয়েছে। 

এরপর থেকেই কার্যালয় কেন্দ্রিক তৎপরতা এবং পদপ্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ তুঙ্গে ওঠে। কিন্তু মূল ঘোষণার লাল ফিতা না কাটায় সেই উৎসাহ রূপ নিয়েছে গভীর উদ্বেগে। একই পদে বছরের পর বছর নেতারা আটকে থাকায় মাঠপর্যায়ে নেতৃত্বের নতুন বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং সার্বিক সাংগঠনিক কার্যক্রমে এক ধরনের স্থবিরতা ভর করেছে।

সবচেয়ে বড় জটিলতা তৈরি হয়েছে বর্তমান নেতৃত্বের দ্বৈত ভূমিকার কারণে। বিদ্যমান কমিটির শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি সরকারের নানা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে যুক্ত হয়েছেন। ফলে সংগঠনের কাজে আগের মতো সময় দেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। 

এ অবস্থায় পদপ্রত্যাশী ও উদীয়মান নেতাদের মধ্যে যেমন ক্ষোভ বাড়ছে, তেমনই কেন্দ্র ও তৃণমূলের মধ্যকার দূরত্বের পারদ চড়ছে। দীর্ঘ অপেক্ষার চাদর সরিয়ে সংগঠনগুলোকে নতুন প্রাণ দিতে হলে দ্রুততম সময়ে নতুন ও সক্রিয়দের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

এসএইচ 

Link copied!