ভারতীয় সংগীতের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আশা ভোঁসলে মৃত্যুর পর তার বিপুল সম্পদের তথ্য সামনে এসেছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তিনি প্রায় ২৫০ কোটি রুপি, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ৩৩০ কোটি টাকার সম্পদ রেখে গেছেন।
তার এই সম্পদের উৎস শুধু সংগীতজীবনেই সীমাবদ্ধ ছিল না—বরং ছিল বহুমুখী আয়।
আয়ের প্রধান উৎস
প্রায় আট দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি হাজারো গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। যদিও ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে শিল্পীরা রয়্যালটি পেতেন না, তবুও পারিশ্রমিক থেকেই উল্লেখযোগ্য আয় করেছেন তিনি। পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে কনসার্ট করে বড় অঙ্কের অর্থ উপার্জন করেন—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে নিয়মিত পারফর্ম করেছেন।
ব্যবসা ও বিনিয়োগ
সংগীতের বাইরে তিনি ছিলেন সফল উদ্যোক্তাও। ‘আশাজ’ (Asha’s) নামে তার প্রতিষ্ঠিত রেস্তোরাঁ চেইন ২০০২ সালে দুবাই থেকে যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে কুয়েত, বাহরাইন, যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম ও ম্যানচেস্টারসহ বিশ্বের অন্তত ১০টি শহরে এর শাখা বিস্তৃত হয়।
স্থাবর সম্পত্তি
ভারতের বিভিন্ন শহরে তার উল্লেখযোগ্য রিয়েল এস্টেট সম্পদ আছে, যার মূল্য আনুমানিক ৮০ থেকে ১০০ কোটি রুপি। মুম্বাই ও পুনের অভিজাত এলাকায় তার জমি ও বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট ছিল, যার কিছু তিনি পরবর্তীতে বিক্রি করে দেন।
পারিবারিক তথ্য
প্রয়াত লতা মঙ্গেশকর-এর ছোট বোন এই শিল্পীর তিন সন্তানের মধ্যে বর্তমানে জীবিত আছেন ছেলে আনন্দ ভোঁসলে, যিনি শেষ সময় পর্যন্ত মায়ের পাশে ছিলেন।
৯২ বছর বয়সে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার চলে যাওয়া সংগীতজগতে এক বড় শূন্যতা তৈরি করেছে, তবে তার সুরেলা কণ্ঠ ও অসামান্য কাজই তাকে চিরজীবী করে রাখবে।
এম







































