• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২২, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

প্রসাধনীর ক্ষতিকর কেমিক্যাল থেকে বাঁচার উপায়


লাইফস্টাইল ডেস্ক নভেম্বর ২০, ২০২২, ০১:১৫ পিএম
প্রসাধনীর ক্ষতিকর কেমিক্যাল থেকে বাঁচার উপায়

ঢাকা : যেহেতু বিউটি প্রডাক্ট বা প্রসাধনীতে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর কেমিক্যাল থাকে, তা হলে এ থেকে রক্ষার উপায় কী?

এই ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে চিকিৎসকরা ডিওডোরেন্ট ও টুথপেস্ট হিসেবে বেকিং সোডা, লেবু ব্যবহারের পরামর্শ দেন। আর চুলের রঙ বা উজ্জ্বলতার জন্য তারা মেহেদি ও নারিকেল তেল বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

সবচেয়ে ভালো উপায় হলো- বিউটি প্রডাক্ট বা প্রসাধনী কম ব্যবহার করা। কারণ এসব পণ্য ব্যবহারে আমাদের ত্বকের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই রুটিন বডি চেক-আপ বেছে নিন এবং রাসায়নিকের পরিবর্তে বিকল্প হিসেবে জৈব ফেসওয়াশের মতো বিউটি প্রডাক্ট ব্যবহার করুন।

লিপগ্লসের পরিবর্তে ডালিম বীজ, অ্যালোভেরার জেল দুর্দান্ত ময়শ্চারাইজিং হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া ক্ষতিকারক লোশনের পরিবর্তে নারিকেল তেল ব্যবহার করা যেতে পারে।

মোট কথা হলো- এমন পণ্য নির্বাচন করুন, যেগুলো নন-কোমেডোজেনিক লেবেলযুক্ত। কারণ এগুলোতে ত্বকে জ্বালাপোড়া হয় না। সেটিল, সেটেরিল, লানোলিন বা স্টেরিল অ্যালকোহল জাতীয় ফ্যাটি অ্যালকোহলযুক্ত পণ্য বেছে নিন। এগুলো ভালো ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে।

বিউটি প্রসাধনীর জন্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আবশ্যক। তাই রোজমেরি, লাল চা, কোএনজাইম কিউ১০, লাইকোপেন ও পার্সলে বেছে নিন। আবার ভিটামিন এ ও ভিটামিন সি ত্বকের জন্য উপকারী উপাদান। ভিটামিন এ-তে রেটিনাইল পামিটেট, রেটিনাইল অ্যাসিটেটের মতো উপাদান আছে। যেমন- অ্যাভোকাডো একটি অতি-ময়েশ্চারাইজিং ফ্যাটি ফল এবং এতে ভিটামিন এ, ডি এবং ই রয়েছে; যা ত্বকে প্রবেশ করতে সক্ষম। এটি সানবার্নকে প্রশমিত করতে সহায়তা করে, কোলাজেন উৎপাদন বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং বয়সের বলিরেখার ভালো চিকিৎসা করতে পারে।

ত্বক ও চুল পরিষ্কার করতে কিংবা ময়েশ্চারাইজ করতে, মেকআপ তুলতে, ক্ষত বা দাগ দ্রুত নিরাময় করতে নারিকেল তেল ব্যবহার করুন। নারিকেল তেলের অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এ ছাড়াও এতে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট রয়েছে, যা অন্ত্রে পুষ্টি জোগায় এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়।

মধু ব্রণ নিরাময়ের জন্য একটি দুর্দান্ত ঘরোয়া প্রাকৃতিক স্কিনকেয়ার। সংবেদনশীল বা মিশ্র ত্বকের ক্ষেত্রেও মুখের ক্লিনজারগুলোতে মধু ব্যবহার করা যেতে পারে।

আসল কথা হলো প্রসাধনীতে প্যারাবেনস, ফর্মালডিহাইড, সুগন্ধি, পেট্রোলিয়াম, এএইচএ ও বিএইচএ থ্যালেটস থাকা উচিত নয়। তাই গোলাপের পাপড়ি, চন্দন ও অ্যালোভেরার মতো প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে এমন পণ্য ব্যবহার করুন।

সোনালীনিউজ/এমটিআই

Wordbridge School