ফাইল ছবি
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নবম পে স্কেল নিয়ে প্রশাসনে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে-প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রকাশ্যে পে স্কেল বাস্তবায়নের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার পরও গেজেট প্রকাশে দেরি কেন? দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি বিভিন্ন সভায় মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ও নীতিগত আপত্তি নেই বলে জানিয়েছে। তবু চূড়ান্ত গেজেট না হওয়ায় অনিশ্চয়তা কাটছে না।
প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি আর্থিক সামর্থ্য যাচাই, আন্তমন্ত্রণালয় সমন্বয় এবং জনপ্রশাসন ও অর্থ বিভাগের সম্মতি জরুরি। নতুন স্কেল চালু হলে বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হবে-এমন হিসাব রয়েছে। অর্থ বিভাগের ছাড়পত্র ছাড়া গেজেট সম্ভব নয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ব্যয় কাঠামো পুনর্বিন্যাস ও রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর বিষয় বিবেচনায় নিয়েই সিদ্ধান্ত হবে। অর্থাৎ আর্থিক প্রভাব বিশ্লেষণ শেষ না করে ঘোষণা আসছে না। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, খসড়া চূড়ান্ত করতে গ্রেড পুনর্বিন্যাস, বেতন কাঠামোর অসামঞ্জস্য দূর করা এবং পেনশন সুবিধা সমন্বয়ের কাজ চলছে। নিম্নগ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বৈষম্য ও উচ্চগ্রেডের বিশেষ ভাতা নিয়ে মতভেদও রয়েছে।
সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলো দ্রুত গেজেট প্রকাশের দাবি জানালেও অর্থনীতিবিদদের একাংশ ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরামর্শ দিচ্ছেন, যাতে বাজেটের ওপর চাপ কমে। সব মিলিয়ে রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলেও আর্থিক বাস্তবতা ও প্রক্রিয়াগত ধাপ শেষ না হওয়ায় গেজেট প্রকাশে সময় লাগছে। এখন নজর অর্থ বিভাগের চূড়ান্ত সম্মতি ও মন্ত্রিসভার অনুমোদনের দিকে।
এসএইচ
































-20260220112630.jpg)






